kalerkantho

26th march banner

শ্রীনগরে সরে দাঁড়ালেন আ. লীগের বিদ্রোহী

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

৩১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরের বীরতারা ইউনিয়নে দলীয় প্রার্থীকে সমর্থন দিয়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দিয়েছেন আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী রেজাউল হাসান রাজু। বুধবার বিকেলে উপজেলা আওয়ামী লীগের অস্থায়ী কার্যালয়ে স্থানীয় সাংবাদিকদের উপস্থিতিতে তিনি এ ঘোষণা দেন। ওই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী আজিম হোসেন খান।

এ ব্যাপারে রেজাউল হাসান রাজু বলেন, কোনো চাপ বা পেশিশক্তি তাঁকে নির্বাচন থেকে সরে যেতে বাধ্য করেনি। এ সময় উপস্থিত ছিলেন ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হাবিবুর রহমান বাদল, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক দ্বীন ইসলাম, সঞ্জয় গোস্বামী, ফয়সাল আহমেদ মিশু প্রমুখ।

প্রার্থী পরিবর্তনের গুঞ্জন

এদিকে মুন্সীগঞ্জের টঙ্গিবাড়ীর তিন ইউনিয়নের তৃণমূল নেতাকর্মীদের গোপন ভোটের মাধ্যমে মনোনীত আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের পরিবর্তন করা হচ্ছে এমন গুঞ্জন শোনা গেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে বলেও শোনা যায়। বিষয়টি গতকাল ওই উপজেলায় ‘টক অব দ্য’ ডেতে পরিণত হয়।

উল্লেখ্য, গত ২৪ মার্চ উপজেলার রংমেহার পল্লী উন্নয়ন ক্লাবে গোপন ভোটের মাধ্যমে আউটশাহী ইউনিয়নে জহিরুল হক লিটন ঢালী, বেতকা ইউনিয়নে বাচ্চু শিকদার ও কে. শিমুলিয়া ইউনিয়নে আনিসুর রহমানকে নৌকা প্রতীকের প্রার্থী নির্বাচিত করেন কাউন্সিলররা। পরে নির্বাচনে কারচুপির অভিযোগ এনে বিভিন্ন মহলে দৌড়ঝাঁপ শুরু করেন আউটশাহী ইউনিয়নের সেকান্দর বেপারী, বেতকা ইউনিয়নের শওকত আলী খান মুক্তার ও কে. শিমুলিয়া ইউনিয়নের নুর হোসেন বেপারী। বুধবার সকাল থেকেই ওই তিন প্রার্থীর লোকজন প্রচার করে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে প্রার্থী পরিবর্তন করা হয়েছে।

এ ব্যাপারে আউটশাহী ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের প্রার্থী জহিরুল হক লিটন ঢালী জানান, সেকান্দার বেপারী প্রধানমন্ত্রীর নাম ভাঙিয়ে মিথ্যাচার করছেন। বেতকা ইউনিয়নের মনোনয়নবঞ্চিত শওকত আলী খান মুক্তার বলেন, ‘উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ভূতু হালদারের কাছে আমি জানতে পেরেছি প্রার্থী পরিবর্তন করে আমাকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। ’

টঙ্গিবাড়ী উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি জগলুল হাওলাদার ভূতু বলেন, ‘আমিও বিষয়টি শুনতে পেয়েছি। তবে কোনো কাগজপত্র এখনো পাইনি। ’


মন্তব্য