kalerkantho


চাঁদপুরের দুই ইউনিয়নে শঙ্কা সহিংসতার

চাঁদপুর প্রতিনিধি   

৩০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলার ১৮টি ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) নির্বাচন কাল বৃহস্পতিবার। ভোটগ্রহণের জন্য নির্বাচন সংশ্লিষ্টরা সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। ১৭৬টির মধ্যে ৪২টি কেন্দ্রকে অতি গুরুত্বপূর্ণ (ঝুঁকিপূর্ণ) হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। তবে সদরের দুটি ইউপির সবকটি কেন্দ্রে সহিংসতার আশঙ্কা করছে গোয়েন্দা সংস্থাগুলো।

গোয়েন্দা সূত্র জানায়, চাঁদপুর সদরের মেঘনার দুর্গমচর রাজরাজেশ্বর ও ইব্রাহিমপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের শক্ত বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী মাঠে থাকায় সেখানে গোলযোগের আশঙ্কা বিরাজ করছে। রাজরাজেশ্বর ইউপিতে আওয়ামী লীগের নৌকা প্রতীক পেয়েছেন সাবেক ইউপি মেম্বার হযরত আলী। তাঁর প্রতিপক্ষ হচ্ছেন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা সাবেক চেয়ারম্যান রাজ্জাক চোকদার। অন্যদিকে ইব্রাহিমপুর ইউপিতে বর্তমান চেয়ারম্যান নৌকা প্রতীকের আবুল কাসেমের প্রতিপক্ষ হচ্ছেন জেলা যুবলীগের সাবেক নেতা রফিকুল ইসলাম ভূঁইয়া।

ওই দুই ইউপিতে বিএনপির চেয়ারম্যান প্রার্থী থাকলেও তারা নৌকা ও আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থীর চাপে অনেকটা কোণঠাসা। রাজ্জাক চোকদার ও রফিক ভূঁইয়াকে ইতিমধ্যে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। এর পরও নৌকা ও বিদ্রোহীর পক্ষে দুর্গম চরের একাধিক কেন্দ্রে গোলযোগ হতে পারে। এতে মূল ভূখণ্ড থেকে বিচ্ছিন্ন জনপদ হওয়ায় সেখানে তাত্ক্ষণিকভাবে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনা কঠিন হয়ে দাঁড়াবে।

এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. আতাউর রহমান বলেন, ‘নির্বাচনে ভোটগ্রহণের জন্য প্রতিটি কেন্দ্রে পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী নিয়োজিত থাকবে। ইতিমধ্যে চাঁদপুর সদর ও হাইমচরের জন্য ছয় প্লাটুন বিজিবি ও র‌্যাবের ছয়টি টহল টিম কাজ শুরু করেছে। আজ বুধবার সন্ধ্যার মধ্যে প্রতিটি কেন্দ্রে ব্যালট পেপার, বাক্সসহ অন্যান্য মালামাল পৌঁছে যাবে। তা ছাড়া ভোটের দিন বিচারিক ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়ে একাধিক দল ভ্রাম্যমাণ হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। প্রভাব বিস্তার, জাল ভোট কিংবা যেকোনো অনিয়ম ঠেকাতে সবাই কাজ করবে। ’


মন্তব্য