kalerkantho

শনিবার । ২১ জানুয়ারি ২০১৭ । ৮ মাঘ ১৪২৩। ২২ রবিউস সানি ১৪৩৮।


না.গঞ্জে যুবককে কোপ, পাঁচজনকে পিটুনি

সোনারগাঁ ও রূপগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি   

২৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক যুবককে কোপ এবং সোনারগাঁয় এক পরিবারের পাঁচজনকে পিটিয়ে আহত করা হয়েছে।

রূপগঞ্জ উপজেলার চনপাড়া পুনর্বাসনকেন্দ্রে মোক্তার হোসেনকে (২৫) কুপিয়ে গুরুতর জখম করে প্রতিপক্ষরা। পরিবার জানায়, শাহজাহান মিয়ার সঙ্গে মোক্তারের এক বছর আগে রিকশা নিয়ে তর্ক হয়। এরপর থেকে তাঁদের মধ্যে দ্বন্দ্ব চলছিল। গতকাল সোমবার দুপুর ১২টার দিকে শাহজাহানের ছেলে আরিফসহ তার লোকজন ধারালো অস্ত্র নিয়ে মোক্তারের ওপর হামলা চালায়। কুপিয়ে তাঁর মেরুদণ্ড বের করে দেয়। পরে স্থানীয় লোকজন তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে।

এদিকে জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে সোনারগাঁ উপজেলার মিরেরটেকে গতকাল সোমবার বিকেলে এক পরিবারের ওপর হামলা করে সন্ত্রাসীরা। পুলিশ জানায়, কলতাপাড়া গ্রামের আতাউর রহমানের সঙ্গে তাঁর সত্ভাই আবদুল গাফফারের দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। গতকাল দুজনের মধ্যে বাগিবতণ্ডা হয়। এর জের ধরে আতাউর ও তার ছেলে রুহুল আমিন, মামুন মিয়াসহ পাঁচ-সাতজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আবদুল গাফফারের ওপর হামলা চালায়। তারা গাফফার, তাঁর ভাই তোফাজ্জল হোসেন, মোহাম্মদ হোসেন ও স্ত্রী তাছলিমা বেগম, বড় ভাইয়ের স্ত্রী হাসিনা বেগমকে পিটিয়ে মারাত্মকভাবে আহত করে। এ সময় সন্ত্রাসীরা গাফফারের হাতের হাড় গুঁড়িয়ে দেয়। আহতদের সোনারগাঁ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

অভিযুক্ত আতাউর রহমান বলেন, ‘ঘটনা ঘটেছে সত্য। তবে আমি জড়িত নই। ’

সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুর কাদের বলেন, ‘হামলার ঘটনায় লিখিত অভিযোগ নেওয়া হয়েছে। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ’

সংঘর্ষে আহত ১২ : অন্যদিকে রূপগঞ্জের বরুনা গ্রামে গতকাল সোমবার দুপুরে জমি নিয়ে বিরোধকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের সংঘর্ষে অন্তত ১২ জন আহত হয়েছে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, আজগর আলীর সঙ্গে একই এলাকার আব্বাসের একটি জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ ছিল। গতকাল বিকেলে আব্বাসসহ তাদের লোকজন আজগরের পরিবারের ওপর হামলা চালায়। এ সময় আজগর আলীর পরিবারের লোকজনও পাল্টা হামলা চালায়। সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আজগর, হানিফ, জায়েদা বেগম, আবু তাহের, আম্বিয়া খাতুন, রিনা, রুজিনা আক্তার, আব্বাস, আছিয়া বেগম, মিনু বেগমসহ ১২ জন আহত হন। এর মধ্যে রুজিনাকে মুমূর্ষু অবস্থায় ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।


মন্তব্য