kalerkantho


১০ ইউনিয়নে ১৪ বিদ্রোহী

ফ্যাসাদে আ. লীগ-বিএনপি

সুনামগঞ্জ প্রতিনিধি   

২৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ফ্যাসাদে আ. লীগ-বিএনপি

সুনামগঞ্জের ছাতকে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে (ইউপি) বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী নিয়ে বিপাকে পড়েছে আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। বিদ্রোহী প্রার্থী থাকায় আগামী ৩১ মার্চ অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে পরাজয়ের আশঙ্কা করছেন দল মনোনীত প্রার্থীরা।

সূত্র জানায়, ১০ ইউনিয়নে ১৪ জন বিদ্রোহী প্রার্থী রয়েছেন এ দুই দলের। এর মধ্যে আটটি ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের ১১ জন ও দুটি ইউনিয়নে বিএনপির তিনজন বিদ্রোহী প্রার্থী।

উপজেলার জাউয়া বাজার ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান নূরুল ইসলাম। এখানে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী মাঠ ‘গরম’ রেখেছেন রাজা মিয়া তালুকদার, মুরাদ হোসেন ও বশির আহমদ। সিংচাপইর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাহাব উদ্দিন সাহেল, বিদ্রোহী প্রার্থী যুবলীগ নেতা মোজাহিদ আলী। সদর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সাইফুল ইসলাম, বিদ্রোহী প্রার্থী সেলিম মিয়া। সৈদরগাঁও-গোবিন্দগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান সুন্দর আলী, বিদ্রোহী প্রার্থী আখলাকুর রহমান। কালারুকা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী সাবেক চেয়ারম্যান অদুদ আলম, বিদ্রোহী প্রার্থী আফাতাব উদ্দিন। নোয়ারাই ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী আফজাল আবেদীন, বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুল খালেক পীর।

উত্তর খুরমা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান বিল্লাল আহমদ, বিদ্রোহী প্রার্থী শামছুল ইসলাম খান ভাসানী। চরমহল্লা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ প্রার্থী বর্তমান চেয়ারম্যান কদর মিয়া, বিদ্রোহী প্রার্থী আজাদুর রহমান ও সিরাজুর রহমান। স্থানীয় আওয়ামী লীগে কোন্দলের কারণে ছাতকে বিদ্রোহী প্রার্থীর সংখ্যা বেশি বলে জানা গেছে।

ইসলামপুর ইউনিয়নে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট খেলাফত মজলিস নেতা আকিক হোসেনকে প্রার্থী করায় বিএনপি নেতা বাবুল মিয়া এবং জামায়াত নেতা ও বর্তমান চেয়ারম্যান সুফি আলম সোহেল বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন। চরমহল্লা ইউনিয়নে বিএনপির প্রার্থী আবুল হাসনাত, বিদ্রোহী প্রার্থী আবদুর রশিদ। সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক নাছির উদ্দিন চৌধুরী বলেন, ছাতকসহ অন্য উপজেলায় বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।

জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ব্যারিস্টার এম এনামুল কবির ইমন বলেন, ছাতকে বিদ্রোহী প্রার্থী যাতে না দাঁড়ায় সে জন্য উপজেলা আওয়ামী লীগের দায়িত্বশীলদের বলা হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে গিয়ে প্রার্থী হয়েছেন তাঁদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


মন্তব্য