kalerkantho


রোদ মাথায় নিয়ে সরব ভোটার

বিশ্বজিৎ পাল বাবু, ব্রাহ্মণবাড়িয়া   

২৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



 রোদ মাথায় নিয়ে সরব ভোটার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার দুর্গাপুর ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সব কটি কেন্দ্রে ভোটারদের সরব উপস্থিতি লক্ষ করা গেছে।

দুর্গাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে সকাল সোয়া ৯টায় লাইনে দাঁড়ানো ভোটার বাহাদুরপুর গ্রামের জরিনা বেগম বলেন, ‘সকাল ৭টায় লাইনে দাঁড়াইছি। বাড়িতে পুলা-মাইয়া আছে। হেরারে রাইন্দা খাওয়াইতো অইব দেইক্কা তাড়াতাড়ি আইয়া লাইনে দাঁড়াইছিলাম। অহন দেখি, দুই ঘণ্টা লাগাইয়াঅ বোট দিতাম পারতাম না। ’

সোহাগপুর ফোরকানিয়া মাদ্রাসা কেন্দ্রের ভেতর জনাবিশেক লোক দাঁড়িয়ে থাকাই দায়। মাদ্রাসার ছোট ছোট টিনের ঘরের চারটি কক্ষ ও অজুখানায় ভোট নেওয়া হচ্ছে। দুপুর ১টার দিকে গিয়ে দেখা যায়, প্রচণ্ড রোদ উপেক্ষা করে কেন্দ্রের বাইরে দাঁড়িয়ে আছেন ভোটাররা।

কেন্দ্রের প্রিসাইডিং অফিসার মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘সকাল ৭টার দিকে ভোটাররা এসে পড়ে। তবে কেন্দ্রটির অবস্থা খুব বেশি ভালো না। ভোটাররা রোদের মধ্যে অনেক কষ্ট করছে। এখানে ১৯২২ ভোটের মধ্যে ওই সময় পর্যন্ত ১১৫০ ভোট পড়েছে। ’

এদিকে সোহাগপুর (দক্ষিণ)  সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে দুপুর সোয়া ১টার দিকে কয়েকজন দুষ্কৃতকারী প্রবেশ করে। তারা চেয়ারম্যানের একটি ও সাধারণ সদস্যের একটি ব্যালট বই ছিনিয়ে নেয়। এ সময় সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার শিউলি পারভীন আহত হন।

ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মো. মিজান খান অভিযোগ করেন, ‘নৌকা প্রার্থীর লোকজন এখানে প্রকাশ্যে সিল মারছে।   বিকেল ৩টার দিকে দুর্গাপুর এলাকায় দুপক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ঘটে। ’

কেন্দ্র পরিদর্শনকালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘সর্বত্রই ভোটারদের প্রচণ্ড আগ্রহ লক্ষ করা গেছে। তবে আশুগঞ্জের ইতিহাস হচ্ছে, নির্বাচন-পরবর্তী সমস্যা হয়। এ বিষয়েও আমরা সতর্ক আছি। ’

জেলা প্রশাসক (ডিসি) ড. মুহাম্মদ মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে ভোটারদের মধ্যে প্রচণ্ড আগ্রহ লক্ষ করা গেছে। তবে গরমের কারণে একটু কষ্ট করতে হচ্ছে। সবাই অস্থির হয়ে গেছে আগে ভোট দেওয়ার জন্য। এ ছাড়া আর কোনো অভিযোগ পাওয়া যায়নি। ’


মন্তব্য