kalerkantho


দুই কেন্দ্রে উত্তেজনা

এম সাইফুল মাবুদ, ঝিনাইদহ   

২১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



দুই কেন্দ্রে উত্তেজনা

কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়াসহ বিচ্ছিন্ন কিছু ঘটনার মধ্য দিয়ে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ পৌরসভার নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। অধিকাংশ ভোটকেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিল কম। একটি কেন্দ্রে দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ছাড়া একটি কেন্দ্রের বুথে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করাকে কেন্দ্র করে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র ঘুরে এসব তথ্য পাওয়া গেছে।

সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কালীগঞ্জ ভূষণ পাইলট স্কুল কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায় ভোটারদের উপস্থিতি খুবই কম। ওই কেন্দ্রে দুই হাজার ৮০৭ ভোটের মধ্য কাস্ট হয় মাত্র ৪৫টি। সকাল সাড়ে ১১টার দিকে পৌরসভা ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, দুই হাজার ৪৫৫ ভোটের মধ্যে কাস্ট হয়েছে মাত্র ৯২টি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভোটকেন্দ্রগুলোতে ভোটারের সংখ্যা কিছু বাড়লেও দুপুর ২টার পর অধিকাংশ ভোটকেন্দ্র ভোটারশূন্য হয়ে পড়ে। বলিদাপাড়া গ্রামের ভোটার আব্দুর রহিম জানান, ভোট দিতে গেলে মানুষের শত্রু হতে হয়, তাই ভোট দিতে যাবেন না। কিছু কেন্দ্রে নারী ভোটারদের লাইন থাকলেও পুরুষ ভোটারদের কোনো লাইন দেখা যায়নি।

সকাল সাড়ে ১১টার দিকে সলিমুন্নেছা বালিকা বিদ্যালয় কেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র পদপ্রার্থী মকসেদ আলীর লোকজন প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা করে। এ সময় আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী মেয়র প্রার্থী মাসুদুর রহমান মন্টুর সমর্থকদের সঙ্গে তাদের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। দুপুর পৌনে ১টার দিকে পৌরসভা ভোটকেন্দ্রে আওয়ামী লীগ মনোনীত মেয়র প্রার্থী মকসেদ আলীর এক সমর্থক বুথে ঢুকে ভোটারদের প্রভাবিত করার চেষ্ট করলে দলের বিদ্রোহী প্রার্থী মাসুদুর রহমান মন্টু প্রতিবাদ করলে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।

নিশ্চিন্তপুর গ্রামের আব্দুর রহমান ও রবিউল ইসলাম ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারেননি। তাঁদের ভোট দেওয়া হয়ে গেছে। তাঁদের অভিযোগ, তাঁদের মতো অনেকেরই ভোট অন্যে দিয়ে দিয়েছে।


মন্তব্য