kalerkantho


কিশোরগঞ্জে শিক্ষক নিয়োগ নিয়ে বিদ্যালয় রণক্ষেত্র

পুলিশের গুলি, জখম ৬

কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি   

২০ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় একটি বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ভাঙচুরের ঘটনা ঘটেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ৯১ রাউন্ড গুলি ও চার রাউন্ড কাঁদানে গ্যাস ছোড়ে পুলিশ।

এ সময় স্থানীয় এক সাংবাদিকসহ ছয়জন গুলিবিদ্ধ হয়। এ ছাড়া আহত হয় আরো ১৫ জন।

গতকাল শনিবার সকালে উপজেলার চণ্ডীপাশা ইউনিয়নের কোদালিয়া শহরউল্লাহ ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ ও আশপাশের এলাকায় ওই ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় কাউকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। থানায় কোনো মামলাও হয়নি। গুলিবিদ্ধ দুজনকে কিশোরগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক হাবিবুর রহমান কাঞ্চন অভিযোগ করেন, ঘাগড়া গ্রামের লোকজন ঘোষণা দিয়ে বিদ্যালয়ে ঢুকতে চেয়েছিল। কিন্তু কোদালিয়া গ্রামের লোকজনের প্রতিরোধের মুখে ব্যর্থ হয়ে তারা বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা শহরুল্লাহর বাড়িঘর ও স্থানীয় বাজারের তিন-চারটি দোকান ভাঙচুর করে।

বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক লুত্ফর রহমান বলেন, যে নিয়োগ নিয়ে এ হাঙ্গামা হলো তা অবৈধ ছিল। এ নিয়ে আদালতে মামলাও চলছে। প্রথম থেকে এলাকাবাসী এদের বিরোধিতা করে আসছে। তার পরও তারা জোর করে বিদ্যালয়ে ঢুকতে চেয়েছিল। তিনি আরো বলেন, আজ (গতকাল) বিদ্যালয় খোলা ছিল। ভাগ্য ভালো যে পুলিশ তত্পর ছিল।

পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ মোশারফ হোসেন খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, বিদ্যালয়ের নিয়োগ নিয়ে দুই গ্রামের লোকজনের মারমুখী অবস্থানের খবর পেয়ে তিনিসহ পুলিশের কর্মকর্তারা ঘটনাস্থলে যান। তাদের উপস্থিতিতেই দুই পক্ষে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। পরে শটগানের গুলি ও কাঁদানে গ্যাস ছুড়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করা হয়। এরপর দুই পক্ষের প্রতিনিধিদের নিয়ে বসার পর পরিস্থিতি শান্ত হয়। তিনি আরো জানান, শিক্ষক নিয়োগের বিষয়টি নিয়ে জেলা প্রশাসন তদন্ত করবে। তদন্ত শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।


মন্তব্য