kalerkantho

১ম কলাম

ছাত্রীকে ধর্ষণ

নীলফামারী প্রতিনিধি   

১৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় নবম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে এ ঘটনায় এলাকাবাসী আশঙ্কাজনক অবস্থায় ওই ছাত্রীকে উদ্ধার করে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করে। সে বর্তমানে ওই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

এলাকাবাসী জানায়, ওই ছাত্রী পাশের জলঢাকা উপজেলার এক ভটভটি চালকের মেয়ে। গত বুধবার বিকেলে একটি ফাঁকা স্থানে শরীরে কাদা-মাটি মাখা ও রক্তাক্ত অবস্থায় ওই ছাত্রীকে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখেন এক গৃহবধূ। এ সময় তার অবস্থা বেগতিক দেখে এলাকাবাসীর সহযোগিতায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসাপাতালে তাকে ভর্তি করা হয়। ওই গৃহবধূ বলেন, ‘অবস্থা বেগতিক দেখে তাকে এলাকার মানুষের সহযোগিতায় রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেই। পরে পরিবারের লোকজনকে খবর দেই। ’ মেয়ের বাবা মহীর উদ্দীন বলেন, ‘মেয়েটি নানাবাড়িতে থেকে লেখাপড়া করত। হাসপাতালে গেলে মেয়ে জানায়, বুধবার দুপুরে মাদ্রাসা ছুটির পর হেঁটে নানাবাড়ি ফিরছিল। পথে দেখা হয় পূর্বপরিচিত মারুকুল ইসলাম (৩০) নামের এক পিকআপভ্যান চালকের সঙ্গে। মারুকুল ভ্যান চালিয়ে ওই পথে যাচ্ছিল। বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার নাম করে মেয়েকে তুলে নেয়। কিছুদূর গিয়ে পিকআপে থাকা

অন্য দুই যুবকের সহযোগিতায় আবিলের বাজারের অদূরে

একটি ভুট্টাক্ষেতে নিয়ে নির্যাতন চালায়। পরে চালক ও তার সহযোগীরা পালিয়ে যায়। ’

কিশোরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাফিজার রহমান বলেন, ‘বুধবার ঘটনা জানার পর আমি রাতে রংপুর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে গিয়ে ওই ছাত্রীকে সংজ্ঞাহীন আবস্থায় দেখতে পাই। এরপর বৃহস্পতিবার সকালে গিয়ে তার জবানবন্দি রেকর্ড করি। মেয়েটির জবানবন্দি মোতাবেক আসামিদের শনাক্ত করা হয়েছে, এখন গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে। থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে। ’


মন্তব্য