kalerkantho

26th march banner

চার আসামি জেলে, তবু হামলার আশঙ্কা

ময়মনসিংহে শিমুল হত্যা মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক, ময়মনসিংহ   

১৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ময়মনসিংহে চাঞ্চল্যকর শিমুল হত্যা মামলার চার আসামিকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে আসামিরা ময়মনসিংহের ১ নম্বর আমলি আদালতে আত্মসর্মপণ করার পর আদালত এ নির্দেশ দেন।

শিমুল হত্যা মামলার প্রধান আসামি নূরুল কবীর ভুট্টু। অন্য আসামিরা হলো হুমায়ুন কবীর, মানু ও শুভ। তারা প্রায় দেড় মাস পালিয়ে থাকার পর গতকাল আদালতে আত্মসমর্পণ করে।

এদিকে নিহত ফিরোজ সরকার শিমুলের (২৭) মা মামলার বাদী ফিরোজা বেগম অভিযোগ করে বলেছেন, তাঁরা আতঙ্কিত। আসামিদের আত্মীয়স্বজনরা তাঁদের নানা হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তাঁরা আশঙ্কা করছেন, ক্ষমতা ও টাকার জোরে আসামিরা জামিনে বেরিয়ে এসে তাঁদের ওপর হামলা চালাতে পারে। আসামিরা পোস্টার ছাপিয়ে মামলাটি ভিন্ন খাতে প্রবাহিত ও মানুষকে বিভ্রান্ত করারও চেষ্টা করছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ৬ ফেব্রুয়ারি ময়মনসিংহের শহরতলি দিঘারকান্দা এলাকায় পাওনা টাকা চাওয়া নিয়ে দুই পক্ষের বিরোধে আসামিরা পরিকল্পিতভাবে গুলি করে হত্যা করে শিমুলকে। স্থানীয় বাসিন্দা সামিউল হাসান রনির সঙ্গে স্থানীয় ঠিকাদার হুমায়ুন কবীর ও তার ভাই নূরুল কবীর ভুট্টুর বিরোধ ছিল। এর জেরে হুমায়ুন ও নূরুল কবীরের নেতৃত্বে রনি এবং তাঁর সঙ্গে থাকা ভাগ্নে সোহান ও শিমুলের ওপর হামলা চালানো হয়। এতে গুলিবিদ্ধ শিমুল ঘটনাস্থলেই নিহত হন। গুলিতে মারাত্মক আহত হন সোহান। পরদিন এ ঘটনায় ময়মনসিংহ কোতোয়ালি মডেল থানায় পাঁচজনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতপরিচয় আরো তিন-চারজনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন নিহতের মা ফিরোজা বেগম। এরপর চাঞ্চল্যকর হিসেবে মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব নেয় পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির পরিদর্শক মো. শাহজাহান মিয়া সাংবাদিকদের জানান, আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই-এক দিনের মধ্যে আদালতে রিমান্ড চাওয়া হবে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্র উদ্ধার এবং হত্যাকাণ্ডের মোটিভ উদ্ঘাটনে আসামিদের ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।  


মন্তব্য