kalerkantho


সংঘর্ষে চকরিয়া ও মুকসুদপুরে নিহত ২

চকরিয়া (কক্সবাজার) ও গোপালগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



চকরিয়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত হয়ে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে এক যুবক মারা গেছেন। নিহত জাহাঙ্গীর আলম (৩৫) উপজেলার পূর্ব বড় ভেওলা ইউনিয়নের সাহেবখানপাড়ার ওমর হামজার ছেলে। গত শুক্রবার সংঘর্ষে আহত হওয়ার পর রবিবার তিনি মারা যান। এ ঘটনায় এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। সোমবার থানায় একটি মামলা করেছে নিহতের পরিবার।

জানা গেছে, পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় আমির হামজা ও আবদু শুক্কুর পক্ষের মধ্যে বিরোধ চলে আসছিল। এ নিয়ে গত শুক্রবার বিকেলে ও রাতে উভয় পক্ষের মধ্যে দুই দফা সংঘর্ষ হয়। রাতের সংঘর্ষে দুই পক্ষের মধ্যে মধ্যস্থতা করতে গেলে ছুরিকাঘাতে আহত হন জাহাঙ্গীর। এ সময় তাঁকে প্রথমে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন রবিবার মারা যান জাহাঙ্গীর।

নিহত জাহাঙ্গীরের বাবা ওমর হামজা বলেন, ‘দুই পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে গেলে আমার ছেলের ওপর হামলা চালায় আমির হামজার লোকজন। ’

চকরিয়া থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. কামরুল আজম বলেন, ‘এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী কোহিনূর আক্তার বাদী হয়ে সাতজনের নাম উল্লেখ করে থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। এটি মামলা হিসেবে রুজু করে আসামিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে। ’

অন্যদিকে গোপালগঞ্জের মুকসুদপুরে প্রতিপক্ষের হামলায় আকতার মোল্লা (৫৫) নামের এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গত রবিবার রাত ৮টার দিকে আদমপুর বাজারে এ ঘটনা ঘটে। পারিবারিক বিরোধের জের ধরে ছোট ভাইয়ের ভায়রা ও তার লোকজনের হাতে আকতার নিহত হন। মুকসুদপুরের গোপালপুর গ্রামে নিহতের বাড়ি।

এলাকাবাসী জানায়, আকতারের ছোট ভাই ইকতার মোল্লার সঙ্গে তার ভায়রা বিল্লাল মোল্লার পারিবারিক কোন্দল চলে আসছিল। বিষয়টি শোনার জন্য আকতার মোল্লা কথা বলতে গেলে বিল্লাল ও তার লোকজন ক্ষিপ্ত হয়ে আকতারের ওপর হামলা চালায়। এতে তিনি ঘটনাস্থলেই নিহত হন। এ সময় আহত হন ইকতার মোল্লা ও ইলিয়াস মোল্লা। তাঁরা আকতার মোল্লার ভাই। মুকসুদপুর থানার ওসি আজিজুর রহমান বলেন, এ ঘটনায় এখনো থানায় মামলা হয়নি। লাশ উদ্ধার করে গোপালগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে ফায়েক মোল্লা নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।


মন্তব্য