kalerkantho

নন্দীগ্রামে ধর্ষণ

বাঁচল না মরিয়ম

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

১৪ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



বগুড়ার নন্দীগ্রামের থালতা মাজগ্রামে মরিয়ম খাতুন নামের এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণ করা হয়েছে। হাসপাতালে নেওয়ার পর গতকাল রবিবার ভোরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় গ্রামবাসী ধর্ষক ফরিদ মিয়াকে আটক করে পুলিশে দিয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় মামলা হয়েছে।

মরিয়ম থালতা মাজগ্রাম এম এ সিনিয়র ফাজিল (ডিগ্রি) মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ত।

স্থানীয়রা জানায়, থালতা গ্রামের দিনমজুর জামেদ আলী ওরফে একছার আলীর মেয়ে মরিয়ম খাতুনের সঙ্গে একই গ্রামের বাদশা মিয়ার ছেলে ফরিদ মিয়ার প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার রাতে মরিয়মের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ফরিদ মেয়েটির ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। মরিয়মের বাবা বাড়িতে আসার পর মেয়ের ঘরে ধস্তাধস্তির শব্দ শুনে দরজা ভেঙে ভেতরে ঢোকেন। এ সময় ফরিদ জানালা ভেঙে পালিয়ে যায়। মুমূর্ষু অবস্থায় মরিয়মকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পর গতকাল ভোরে সে মারা যায়। ঘটনার পর ফরিদকে আটক করে পুলিশে দেয় গ্রামবাসী।

নন্দীগ্রাম থানার ওসি হাসান শামীম ইকবাল জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে ফরিদ ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে। এ ব্যাপারে মামলা হয়েছে।

মশার কয়েলের আগুনে দগ্ধ দম্পতি

গোয়ালঘরে রাখা মশার কয়েল থেকে আগুন লেগে দগ্ধ হয়েছেন কৃষক দম্পতি হোসেন আলী ও তাঁর স্ত্রী নূরজাহান খাতুন। গত শনিবার ভোরে ধুনটের মথুরাপুর ইউনিয়নের শ্যামগাঁতি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। জানা গেছে, মশা তাড়াতে শনিবার রাতে হোসেন আলী তাঁর গোয়াল ঘরে কয়েল জ্বালিয়ে রাখেন। হঠাৎ কয়েল থেকে ঘরের বেড়ায় আগুন লেগে যায়। একপর্যায়ে গোয়ালঘর থেকে আগুন পুরো বাড়িতে ছড়িয়ে পড়ে।


মন্তব্য