মুন্সীগঞ্জের জিপির ভূমিকা নিয়ে-335381 | প্রিয় দেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


দখলকারীর পক্ষাবলম্বন

মুন্সীগঞ্জের জিপির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

১৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মুন্সীগঞ্জের সিরাজদিখান উপজেলার একটি বিদ্যালয়ের দখল করা জায়গা এওয়াজ বদলের (এক জমির বদলে অন্য জমি বিনিময়) মাধ্যমে ফেরত দেবে অভিযুক্তরা। এ পরামর্শ দিয়েছেন মুন্সীগঞ্জের সরকারি কৌঁসুলি (জিপি) মো. লুত্ফর রহমান। দখলকারীর পক্ষ  নেওয়ায় তাঁর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সূত্র জানায়, ১৫ নম্বর দক্ষিণ পাউসার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি ফেরত পেতে এওয়াজ বদলের পরামর্শ দিয়ে চিঠি দিয়েছেন ওই জিপি। চিঠিটি সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে দেওয়া হয়েছে। ভুলবশত জায়গা দখল করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে। বিদ্যালয়ের জায়গা থেকে অবৈধ দখলদারকে উচ্ছেদ করতে উচ্ছেদ মামলা করা নিয়ম। বিদ্যালয়ের স্বার্থ রক্ষা না করে ভূমি দখলকারীকে স্থায়ী দখলদার করতে জিপির পরামর্শের পেছনে আর্থিক স্বার্থ থাকার অভিযোগ উঠেছে। এ নিয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদসহ এলাকাবাসীর মধ্যে ক্ষোভ বিরাজ করছে।

ওই বিদ্যালয়ের জমি বেদখল নিয়ে ২০১৫ সালের ৫ এপ্রিল কালের কণ্ঠে ‘সিরাজদিখানে স্কুলের জমি দখল করে ভবন নির্মাণ’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ওই বছরের ১২ জুন সোসাইটি ফর হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড এডুকেশন নামের একটি মানবাধিকার সংস্থা এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বরাবরে একটি আবেদন করে। এরই মধ্যে ঢাকার তেজগাঁও ভূমি অফিস থেকে জরিপকারী এসে ডিজিটাল সার্ভের মাধ্যমে জায়গাটি মেপে অবৈধ দখল বলে দেখতে পান। জিপি মো. লুত্ফার রহমান চিঠি দেওয়ার কথা স্বীকার করেন। কিন্তু একজন সরকারি কৌঁসুলি হয়ে দখলদারকে উচ্ছেদ করতে পরামর্শ না দিয়ে তাকে স্থায়ীভাবে দখলদারি পেতে পরামর্শ দিলেন কেন—এ প্রশ্নের সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালনা পরিষদের সভাপতি মো. মহসিন খান বলেন, ‘আমরা বিদ্যালয়ের জমি কারো সঙ্গে এওয়াজ বদল করব না। দখলদারকে উচ্ছেদ করে বিদ্যালয়ের জায়গা ফিরিয়ে দিতে হবে।’

মন্তব্য