মাগুরায় ধর্ষণের পর স্কুল ছাত্রীকে-334883 | প্রিয় দেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

মঙ্গলবার । ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১২ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৪ জিলহজ ১৪৩৭


মাগুরায় ধর্ষণের পর স্কুল ছাত্রীকে হত্যা

মাগুরা প্রতিনিধি   

১২ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



মাগুরার শালিখায় এক স্কুল ছাত্রীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার দুপুরে উপজেলা গঙ্গারামপুর ইউনিয়নের গজনগর গ্রামের একটি গমক্ষেত থেকে লাশটি উদ্ধার করা হয়। পুলিশ বলছে, ধর্ষণের পর তাকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে।

নিহত আঁখি খাতুন ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ উপজেলার হাসানকাঠি গ্রামে মোয়াজ্জেম হোসেনের মেয়ে। সে কালীগঞ্জের বড় ধোপাটি এম আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী ছিল। শালিখা থানার ওসি আবু জিহাদ খান জানান, বৃহস্পতিবার সকালে আঁখি তার চাচা মনিরুল ইসলামের সঙ্গে ছবি তোলার কাজে কালীগঞ্জের কনিকা স্টুডিওতে আসে। সেখানে মনিরুল ছবি তোলার জন্য স্টুডিওর ভেতরে ঢুকলে সঙ্গে আসা যশোরের চুরামনকাঠি গ্রামের জুয়েল রানা নামের এক যুবক কৌশলে আঁখিকে নিয়ে সটকে পড়ে। এদিকে স্টুডিও থেকে বেরিয়ে তাদের দেখতে না পেয়ে প্রথমে বাড়িতে খোঁজ নেন মনিরুল। পরে তাকে কোথাও না পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দিন বিকেলে ঝিনাইদহ সদর থানায় একটি ডায়েরি করা হয়।

এদিকে ওই রাতে মোবাইল ফোনে আঁখির পরিবারের কাছে ২০ হাজার টাকা মুক্তিপণ দাবি করে জুয়েল। মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে ঝিনাইদহ থানা পুলিশ মাগুরার শালিখা উপজেলার গঙ্গারামপুর এলাকায় অপহরণকারীর অবস্থান শনাক্ত করে। ঝিনাইদহ পুলিশ বিষয়টি শালিখা থানা পুলিশকে জানালে গতকাল শুক্রবার দুপুরে এলাকাবাসীর খবরের ভিত্তিতে গজনগর গ্রামের একটি গমক্ষেত থেকে আঁখির লাশ উদ্ধার হয়। তবে অপহরণকারীকে আটক করা যায়নি। তাকে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।এদিকে আঁখির চাচা মনিরুল ইসলাম জানান, জুয়েল নামের ওই যুবকের সঙ্গে তাঁর কয়েক দিনের পরিচয় মাত্র। সে তাকে বিদেশে পাঠানোর কথা বলে গোটা পরিবারের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলে। পরে ঘটনার দিন বিদেশের কাজে ছবি তোলার কথা বলে তাদের কালীগঞ্জে নিয়ে আসে।

মন্তব্য