kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


জেলবন্দি বেলাল হত্যা মামলার আসামি

পটুয়াখালী প্রতিনিধি   

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



পটুয়াখালী জেলা কারাগারে থাকা হাজতিকে (বিচারের আগে বন্দি) বাউফল থানায় একটি হত্যা মামলার আসামি করা হয়েছে। বাউফল উপজেলার আদাবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে এক ব্যক্তি নিহতের পর এ মামলা হয়েছে।

স্থানীয় ও থানা সূত্রে জানা গেছে, গত ৭ মার্চ রাতে আদাবাড়িয়া ইউপির ৬ নম্বর ওয়ার্ডে (আদাবাড়িয়া গ্রাম) আওয়ামী লীগ মনোনিত চেয়ারম্যান প্রার্থী শামসুল হক ফকির শামসু ও বিদ্রোহী জাহাঙ্গীর উল্লাহর সমর্থকদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। ওই সংঘর্ষে শামসুর খালাতো ভাই এবং ওই ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগ সভাপতি আশ্রাফ ফকির নিহত হন। এ ঘটনায় গত বুধবার রাতে বাউফল থানায় জাহাঙ্গীরকে প্রধান আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহতের মা অজুফা বেগম। মামলায় ওই উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের আওয়ামী লীগের ৫২ জন নেতাকর্মীর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় ৪৫ নম্বর আসামি করা হয় পাশের নওমালা ইউনিয়নের আমির বণিকের ছেলে বেল্লালকে।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়, বেল্লাল নিহত আশ্রাফকে লোহার হাতুড়ি, রড দিয়ে পিটিয়ে বুকের পাঁজর ভেঙে দেন এবং শরীরে জখম করে মৃত্যু নিশ্চিত করেন। এদিকে এর আগে নওমালা ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ ও বিদ্রোহী প্রার্থীর মধ্যে নির্বাচনী সহিংসতায় বেল্লালকে প্রধান আসামি করে মামলা করা হয়। ওই মামলায় বেল্লাল ২৯ ফেব্রুয়ারি আদালতে জামিনের প্রার্থনা করেন। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাঁকে জেলহাজতে পাঠান। আগামী ১৬ মার্চ জামিন শুনানির জন্য দিন ধার্য করেন। ফলে গত ২৯ ফেব্রুয়ারি থেকে ওই আসামি জেলহাজতে রয়েছেন।

এ বিষয়ে হত্যা মামলার প্রধান আসামি জাহাঙ্গীর উল্লাহ বলেন, ‘আমি ঘটনাস্থলে ছিলাম না। অথচ আমাকে ১ নম্বর আসামি করা হয়েছে। যেসব ইউপিতে প্রার্থীরা নিশ্চিত বিজয়ী হবেন, তাদেরসহ নেতাকর্মী সমর্থকদের বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলায় হয়রানি করছে আওয়ামী লীগের কিছু অসাধু লোকজন। ’

বাউফল থানার ওসি আ জ ম মাসুদুজ্জামান বলেন, ‘বাদীর অভিযোগ প্রাথমিকভাবে তথ্য বিবরণিতে লেখা হয়। এমনটি হয়ে থাকলে তদন্ত করে দেখা হবে। ’


মন্তব্য