kalerkantho

রবিবার। ৪ ডিসেম্বর ২০১৬। ২০ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৩ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


মিষ্টির প্যাকেট ভিজল রক্তে

নিজস্ব প্রতিবেদক, মৌলভীবাজার   

১১ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সালিসে বিরোধ মিটমাট করার পর সুসম্পর্কের নমুনাস্বরূপ মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে যাচ্ছিলেন দেখা করতে। কিন্তু যে বাড়িতে যাচ্ছিলেন, সেই বাড়ির এক ছেলের দায়ের কোপে কান কাটা যায়।

রক্তে ভিজে যায় মিষ্টির প্যাকেট। ঘটনাটি ঘটেছে গত বুধবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার চৌমোহনায়।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, বাচ্চাদের ঝগড়াকে কেন্দ্র করে প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ঠেলাচালক নাছির মিয়া আরেক ঠেলাচালক ফারুক মিয়ার স্ত্রী বাচাই বেগমকে দা দিয়ে কোপ মারে। থানায় অভিযোগ করা হয়। পরে কমলগঞ্জ পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর গোলাম মুগ্নি মোহিত স্থানীয়ভাবে বিষয়টি মীমাংসা করে দেওয়ার আশ্বাস দিলে উভয় পক্ষ সম্মত হয়। গত বুধবার রাতে ভানুগাছ বাজারে আওয়ামী লীগ নেতা বদরুল আলম জেনারের দোকানে সালিস বসে। সালিসে নাছির মিয়া ও ফারুক মিয়া উপস্থিত ছিলেন। আপসের মাধ্যমে বিষয়টির মীমাংসা হয়।

কমলগঞ্জ সদর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বদরুল আলম জেনার জানান, নাছির মিয়া ও ফারুক মিয়া সালিস মেনে বিষয়টি মিটমাট করে ফেলেন। পরে সালিসকারীদের পরামর্শে নাছির মিয়া মিষ্টি নিয়ে ফারুক মিয়ার বাড়িতে যাচ্ছিলেন। পথে ফারুকের ছেলে রুবেল মিয়া (২৩) পেছন থেকে নাছিরের মাথায় দা দিয়ে কোপ দেয়। কোপে ডান কান কেটে যায়। নাছিরকে প্রথমে কমলগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পরে মৌলভীবাজার ২৫০ শয্যা হাসপাতাল ভর্তি করা হয়। অবস্থার অবনতি হলে বুধবার রাতেই তাঁকে সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। বুধবার রাতেই

নাছিরের ভাই আমিন মিয়া বাদী হয়ে ছয়জনকে আসামি করে কমলগঞ্জ থানায় মামলা করেন।

কমলগঞ্জ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) কামাল আহমেদ জানান, রুবেল মিয়া (২৩), ফারুক মিয়া (৪৫) ও ধন মিয়াকে (৪০) আটক করা হয়েছে। কমলগঞ্জ থানার ওসি বদরুল হাসান বলেন, ‘বাকি আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। ’


মন্তব্য