kalerkantho

রবিবার । ১১ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৭ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ১০ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়

আ. লীগ নেতাদের নাম ভাঙিয়ে চাকরি দাবি

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি   

৯ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে সাবেক কয়েকজন ছাত্রলীগ নেতা ও বহিরাগত এবার আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম ভাঙিয়ে চাকরি দাবি করছেন। গতকাল মঙ্গলবার তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যকে তাঁর কক্ষে তিন ঘণ্টা অবরুদ্ধ করে রাখে।

তবে ওই আওয়ামী লীগ নেতারা বলছেন, তারা কারো চাকরির জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে সুপারিশ করেননি।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, সাবেক ছাত্রলীগ নেতা আশিকুর রহমান জাপান, তৌহিদুর রহমান হিটলার, মিজানুর রহমান টিটু, কাশেম মাহমুদ, মোহাম্মদ আলী শিমুল, আরব আলী, ইলিয়াস জোয়ার্দার, মাহবুবুর রহমান, রাসেল জোয়ার্দার, শফিকুর রহমানসহ ২০-২২ জন বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরির দাবিতে দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে প্রশাসন ভবনের সব অফিস থেকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বের করে দেয়। কর্মকর্তারা চলে গেলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. আবদুল হাকিম সরকারকে তাঁর কার্যালয়ে অবরুদ্ধ করে রাখা হয়। এ সময় তারা উপাচার্যের কক্ষের সামনে মাথায় সাদা কাপড় বেঁধে অবস্থান নেয়। তারা কোনো শিক্ষক-কর্মকর্তাকে উপাচার্যের কক্ষে ঢুকতে দেয়নি। উপাচার্য কক্ষে ঢুকতে গেলে তাঁদের লাঞ্ছিত করা হয় বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে আগামী ১১ তারিখের সিন্ডিকেট সভা স্থগিত ঘোষণা দিলে বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তারা আন্দোলন তুলে নেয়। এর আগে চাকরিপ্রত্যাশী সাবেক ছাত্রলীগ নেতা মিজানুর রহমান টিটু মাইকে বলেন, ‘আমাদের এই আন্দোলনের পেছনে কুষ্টিয়া সদর থানার সংসদ সদস্য বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও ঝিনাইদহ শৈলকূপা আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল হাই রয়েছেন। ওই নেতারা আমাদের চাকরির সুপারিশ করেছেন। অথচ ভিসি ও প্রশাসন আমাদের চাকরি দিচ্ছে না। এবার আমাদের চাকরি না দেওয়া পর্যন্ত ছাড়ব না। ’

তবে আওয়ামী লীগ নেতা মাহবুব-উল-আলম হানিফ ও আব্দুল হাই বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি দেওয়ার ব্যাপারে তাঁরা কারো সঙ্গে কোনো যোগাযোগ করেননি। এ বিষয়ে তাঁরা কিছু জানেন না।

উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হাকিম সরকার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের অবস্থাটা সবারই জানা। আমি একা কী করতে পারি। তার পরও ক্যাম্পাসকে স্বাভাবিক রাখার চেষ্টা করে যাচ্ছি। ’


মন্তব্য