kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ৮ ডিসেম্বর ২০১৬। ২৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৭ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


প্রাণিসম্পদ গবেষণায় সাফল্য

টেস্টটিউবে বাছুর

নিজস্ব প্রতিবেদক, সাভার ও বাকৃবি প্রতিনিধি   

৮ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) গবেষকরা গাভির টেস্টটিউব বাছুর উৎপাদনে সাফল্য দেখিয়েছেন। কৃত্রিম ভ্রূণ উৎপাদন (ইন ভিট্রো এমব্রায়ো প্রোডাকশন বা আইভিপি) পদ্ধতিতে গত শনিবার রাতে একটি গাভি থেকে দুটি বকনা বাছুর জন্মের মাধ্যমে এ সফলতা আসে।

বিএলআরআই সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক ও জৈবপ্রযুক্তি (বায়োটেকনোলজি) বিভাগের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. তালুকদার নুরুন্নাহারের নেতৃত্বে ও ড. গৌতম দেবের সহযোগিতায় গবেষণা কার্যক্রম পরিচালিত হয়। এতে আরো সহযোগিতা করেন বায়োটেকনোলজি বিভাগের অন্য গবেষকরা।

বিএলআরআইর মহাপরিচালক ড. তালুকদার নুরুন্নাহার জানান, এ পদ্ধতিতে অধিক উৎপাদনশীল দাতা গাভির ডিম্বাশয় থেকে অপরিপক্ব বা বাড়ন্ত ডিম্বাণু সংগ্রহ করা হয়। পরে তা গবেষণাগারে পরিপক্ব, নিষিক্তকরণ ও কালচার করে ব্লাস্টোসিস্ট পর্যায় পর্যন্ত বাড়িয়ে তোলা হয়। গবেষণাগারে পুরো প্রক্রিয়াটি সম্পন্ন করতে সাত-আট দিন সময় লাগে। এরপর ভ্রূণ গাভির জরায়ুতে প্রতিস্থাপন করা হয়। এ ভ্রূণ বড় হয়ে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে ১০ মাসের কমবেশি সময়ে বাছুর জন্ম নেয়। এ পদ্ধতিতে গত শনিবার রাত সাড়ে ১০টার দিকে দুটি সুস্থ ও সবল বকনা বাছুর জন্ম নেয়। নুরুন্নাহার বলেন, ‘এভাবে একটি অধিক উৎপাদনশীল গাভি থেকে ডিম্বাণু সংগ্রহ করে তা কম উৎপাদনশীল ২০-২৫টি গাভির জরায়ুতে স্থাপন করে বছরে সমসংখ্যক বাছুর উৎপাদন করা যাবে। এতে অধিক উৎপাদনশীল গাভির সব ডিম্বাণুর সদব্যবহারের পাশাপাশি কম উৎপাদনশীল গাভির উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ানো যাবে। ’


মন্তব্য