চকরিয়ায় গুলি ছুড়ে স্কুল ছাত্রী অপহরণ,-332970 | প্রিয় দেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

বৃহস্পতিবার । ২৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৪ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৬ জিলহজ ১৪৩৭


চকরিয়ায় গুলি ছুড়ে স্কুল ছাত্রী অপহরণ, লুট

চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি   

৭ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



কক্সবাজারের চকরিয়ায় সন্ত্রাসীরা বাড়ি থেকে এক স্কুল ছাত্রীকে তুলে নিয়ে গেছে। সে এবার এসএসসি পরীক্ষা দিচ্ছিল। এ সময় ফাঁকা গুলি ছুড়ে সন্ত্রাসীরা লুটপাট চালায়। ভাঙচুর ও তছনছ করা হয় বাড়ির আসবাব। শনিবার রাতে উপজেলার ফাঁসিয়াখালী ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাছারিপাড়ায় ওই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ওই মেয়েকে বিদ্যালয়ে যাওয়ার পথে নিয়মিত উত্ত্যক্ত করত একই এলাকার আবু ছিদ্দিকের ছেলে মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। এমনকি সম্প্রতি এসিড ছুড়ে মারা ও অপহরণের হুমকি দেওয়া হয় তাকে। বিষয়টি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককেও জানানো হয়। এসএসসি পরীক্ষা চলাকালে নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে আত্মীয়ের বাড়িতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বিষয়টি জানতে পেরে শনিবার রাত ২টার দিকে মহিউদ্দিন সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের নিয়ে ওই বাড়িতে গিয়ে হানা দেয়।

ওই মেয়ের মা কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘খুব অল্প বয়সে মেয়ে তার বাবাকে হারায়। এর পর থেকে অনেক কষ্ট করে সংসার চালিয়ে তাকে পড়ালেখা করাচ্ছি। কিন্তু স্থানীয় বখাটে মহিউদ্দিন আমার মেয়েকে প্রতিনিয়ত উত্ত্যক্ত করে আসছিল। বিভিন্ন সময় অপহরণের হুমকিও দিয়েছে। এ কারণে মেয়েকে বোনের বাড়িতে রেখেছিলাম। কিন্তু সেখানে রেখেও তাকে রক্ষা করতে পারিনি। বখাটে মহিউদ্দিন ও তার সাঙ্গোপাঙ্গরা বোনের ঘরের দরজা ভেঙে অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে মেয়েকে তুলে নিয়ে গেছে। এ সময় চার ভরি স্বর্ণালংকারসহ প্রায় দুই লাখ টাকা নিয়ে গেছে। এ বিষয়ে আমরা থানায় মামলা করব।’ চকরিয়া থানার ওসি মো. জহিরুল ইসলাম খান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। কিন্তু তার আগেই বখাটেরা পালিয়েছে। এ ঘটনায় জড়িতদের ধরতে এবং অপহূতকে উদ্ধারে পুলিশের অভিযান চলছে।

অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু

কক্সবাজারের চকরিয়ায় মহাসড়কের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ শুরু করেছে সড়ক ও জনপথ বিভাগ। চকরিয়ার বরইতলী ইউনিয়নের নতুন রাস্তার মাথা থেকে রবিবার সকাল থেকে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয়। সকাল থেকে বিকেল ৩টা পর্যন্ত মহাসড়কের দুই পাশ থেকে উচ্ছেদ করা হয়েছে অন্তত দুই শতাধিক অবৈধ স্থাপনা।

উল্লেখ্য, দুই মাস আগে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের চকরিয়া অংশের দুই পাশের অবৈধ স্থাপনা নির্মাণকারীদের সড়ক ও জনপথ বিভাগ চকরিয়া উপবিভাগীয় প্রকৌশলীর কার্যালয় থেকে নোটিশ দেওয়া হয়। নিজ উদ্যোগে এসব স্থাপনা সরিয়ে নিতে নোটিশে দিনক্ষণ ঠিক করে দেওয়া হলেও তা না মানায় গতকাল থেকে উচ্ছেদ অভিযান শুরু করা হয় বলে সড়ক ও জনপথ বিভাগের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা নিশ্চিত করেছেন।

উচ্ছেদ অভিযানের নেতৃত্ব দিচ্ছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের চট্টগ্রাম জোনের এস্টেট ম্যাজিস্ট্রেট মো. আবদুল মান্নান। সঙ্গে রয়েছেন সড়ক ও জনপথ বিভাগের চকরিয়ার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. এমদাদ হোসেন ও উপসহকারী প্রকৌশলী মো. শহীদুল আলম।

মন্তব্য