মুন্সীগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর-332723 | প্রিয় দেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

সোমবার । ২৬ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১১ আশ্বিন ১৪২৩ । ২১ জিলহজ ১৪৩৭


মুন্সীগঞ্জে অগ্নিদগ্ধ গৃহবধূর মৃত্যু

মুন্সীগঞ্জ প্রতিনিধি   

৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



লৌহজংয়ে বিউটি বেগম (৩২) নামের অগ্নিদগ্ধ এক গৃহবধূ ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন। শুক্রবার রাতে তিনি মারা যান। এর আগে শ্বশুর, শাশুড়ি, ননদ ও তাঁদের সহযোগীদের অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে গায়ে কেরোসিন ঢেলে আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন ওই গৃহবধূ। এতে তিনি মারাত্মকভাবে দগ্ধ হন।

এদিকে গৃহবধূর মৃত্যুর ঘটনায় গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় হাটভোগদিয়া গ্রামের প্রতিবেশী পিয়ারা বেগমকে আটক করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় বিউটির বাবা ওমর আলী শেখ বাদী হয়ে শনিবার রাতে লৌহজং থানায় একটি মামলা করেছেন।

লৌহজং থানার ওসি মোল্লা জাকির হোসেন জানান, বিউটি বেগম মৃত্যুর আগে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পুলিশের কাছে জবানবন্দি দিয়েছেন। দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। জবানবন্দির তালিকায় পিয়ারা বেগমের নাম রয়েছে।

বিউটির চাচা আব্দুল ওহাব শেখ জানান, ১৫ বছর আগে বিউটির বিয়ে হয়। অপবাদ দিয়ে বিউটির শ্বশুর জব্বার খান, শাশুড়ি আমেনা বেগম ও ননদ কাউসারী বেগম তাঁকে বিভিন্নভাবে বিপর্যস্ত করেন। গত শুক্রবার সকালে সালিসের কথা বলে স্থানীয় মনসুর মেম্বার বাড়িতে এলে বিউটিকে এ নিয়ে অপবাদ দেওয়া হয়। অপবাদ সইতে না পেরে বিউটি কেরোসিন ঢেলে আগুন লাগিয়ে আত্মহননের চেষ্টা চালান।

টঙ্গিবাড়ীতে মামলা নেয়নি পুলিশ

টঙ্গিবাড়ীতে অন্তঃসত্ত্বা গৃহবধূকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগে পুলিশ গতকাল শনিবারও মামলা নেয়নি। গৃহবধূ মাহমুদার লাশ ময়নাতদন্ত শেষে গতকাল সোনারং সামাজিক কবরস্থানে দাফন করা হয়েছে। মাহমুদার পরিবারের দাবি, টঙ্গিবাড়ী থানার পুলিশ ঘুষ পেয়ে তাদের অভিযোগ নিচ্ছে না। মাহমুদাকে তাঁর স্বামী আবু সাঈদ মুসল্লী (৪০), ভাই ইব্রাহিম মুসল্লী (৪২) ও তাঁর স্ত্রী, আমির হামজা (৪৪), তাঁর স্ত্রী শিখা, মোহাম্মদ আলী (৪৫), আলী আহম্মদ (৫৫) পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন। তাদের কাছে এর সুনির্দিষ্ট সাক্ষ্যপ্রমাণ রয়েছে। মাহমুদা ফের কন্যাসন্তানের জন্ম দেবেন, এটি জানার পর তাঁকে হত্যা করা হয়। মাহমুদা-সাঈদ দম্পতির তাসনিম নামে সাড়ে তিন বছরের একটি মেয়ে রয়েছে।

মন্তব্য