kalerkantho

সোমবার । ৫ ডিসেম্বর ২০১৬। ২১ অগ্রহায়ণ ১৪২৩। ৪ রবিউল আউয়াল ১৪৩৮।


নান্দাইলে অফিস সহকারী ‘লাঞ্ছিত’

শিক্ষার্থীদের অবরোধ

ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি   

৬ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



শিক্ষার্থীদের অবরোধ

অফিস সহকারীকে লাঞ্ছিত করার প্রতিবাদে বিদ্যালয়ের সভাপতির বিচারের দাবিতে গতকাল নান্দাইলে সড়ক অবরোধ করে রাস্তায় গাছের গুঁড়িতে আগুন দেয় শিক্ষার্থীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

নান্দাইলের বাকচান্দা আব্দুস সামাদ একাডেমির অফিস সহকারী ও শিক্ষক সুনিল চন্দ্র দাসকে (৭০) লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি অধ্যক্ষ শামসুল বারীর বিরুদ্ধে। ঘটনার প্রতিবাদে শনিবার সকালে ক্লাস বর্জন করে নান্দাইল-হোসেনপুর সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে প্রায় ৩ ঘণ্টা সড়ক অবরোধ করে রাখে ওই বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এতে ওই সড়কে সব ধরনের যান চলাচল বন্ধ থাকে। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা সভাপতির বিচার দাবি করে। এ ছাড়া তারা ‘সভাপতির বিচার চাই’, ‘পদত্যাগ চাই’—এসব স্লোগান দেয়। পরে নান্দাইল থানার ওসি (তদন্ত) ঘটনাস্থলে গিয়ে বিচারের আশ্বাস দিলে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নেয়।

জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিকেলে বিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ সভায় হিসাবের গরমিল দেখতে পান সভাপতি শামসুল বারী। এ সময় অফিস সহকারী ও শিক্ষক সুনিল চন্দ্র দাসের বিরুদ্ধে টাকা আত্মসাতের অভিযোগ তোলেন সভাপতি। এতে সুনিল চন্দ্র দাস প্রতিবাদ জানালে ক্ষিপ্ত হয়ে শামসুল বারী তাঁকে লাঞ্ছিত করেন। পরে তিনি অফিস সহকারীকে কাছে ডেকে স্যরি বলেছেন বলে জানিয়েছেন সভায় উপস্থিত কয়েকজন শিক্ষক।  

এ ব্যাপারে বিদ্যালয়ের অভিভাবক প্রতিনিধি মো. মাজাহারুল ইসলাম বলেন, অফিস সহকারী সুনিল চন্দ্র দাস অনেক আগেই বিদ্যালয় থেকে অবসর নিয়েছেন। পরে তাঁকে খণ্ডকালীন শিক্ষক ও অফিস সহকারী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাঁকে মারধর করা সত্যিই দুঃখজনক।

অফিস সহকারী সুনিল চন্দ্র দাস  বলেন, ‘আমার বয়স প্রায় ৭০ বছর। কমিটির অনুরোধে এখানে আবার কাজ করতে এসে সভাপতির হাতে যে ধরনের অপমান হয়েছি তা মরেও বেঁচে থাকার মতো। আমি এর বিচার চাই। ’

অভিযুক্ত সভাপতি অধ্যক্ষ শামসুল বারী বলেন, ‘আমি সুনিলকে চড় দেইনি।   প্রায় ৩০ হাজার টাকা আত্মসাহৃ করায় কান ধরে একটু ভর্ত্সনা করেছিলাম। তা ছাড়া সে আমার বাড়ির কাছের লোক হওয়ায় তাঁকে স্নেহ করি। ’


মন্তব্য