কেশবপুরে আতঙ্কে নৃত্যশিল্পীর পরিবার-332261 | প্রিয় দেশ | কালের কণ্ঠ | kalerkantho

kalerkantho

শুক্রবার । ৩০ সেপ্টেম্বর ২০১৬। ১৫ আশ্বিন ১৪২৩ । ২৭ জিলহজ ১৪৩৭


ফের হামলা করতে পারে বখাটেরা

কেশবপুরে আতঙ্কে নৃত্যশিল্পীর পরিবার

কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি   

৫ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



যশোরের কেশবপুরের ব্রহ্মকাটি গ্রামে হামলা ও মারধরের ঘটনায় মামলা করে বিপাকে পড়েছে এক নৃত্যশিল্পীর পরিবার। ফের হামলার আশঙ্কায় সন্ধ্যার পর ঘর থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছে না পরিবাটির সদস্যরা। এ ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে কেশবপুরের সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট। জোটের নেতারা আজ শনিবার বিকেলে ওই শিল্পীর বাড়িতে যাবেন।

নৃত্যশিল্পী আফরোজ জাহান এ্যানির বাবা আনোয়ার হোসেন বলেন, তাঁর মেয়ে এ্যানি বিভিন্ন স্থানে নৃত্যানুষ্ঠান করে থাকে।

এ কারণে এলাকার বখাটেরা তাকে উত্ত্যক্ত করে। তারা চায় না এ্যানি নৃত্যানুষ্ঠান করুক। গত ২২ জানুয়ারি এ্যানির কয়েকজন শিল্পী-বান্ধবী ঢাকা থেকে সাগরদাড়ি মধুমেলায় অনুষ্ঠান করতে আসে। এ্যানি তাদের সঙ্গে সাগরদাড়ি যেতে বাড়ি থেকে বের হচ্ছিল। এ সময় ব্রহ্মকাটি গ্রামের আবদুস সামাদের ছেলে বিল্লাল হোসেন তাদের মাইক্রোবাসের চালককে গালাগালসহ মারধর করতে উদ্যত হয়।

এ্যানির মা সাহিদা বেগম এর প্রতিবাদ করলে তাঁকেও মারধর করতে যায়। পরে তারা অনুষ্ঠানে চলে যায়। কিন্তু রাতে বিল্লালসহ বখাটেরা বাড়িতে হামলা চালিয়ে সাহিদা বেগমকে মারধর করে। এ ঘটনায় থানায় একটি মামলা হয়। পরে মামলা তুলে নিতে

বিভিন্নভাবে চাপ দিতে থাকে আসামিরা। বিষয়টি মীমাংসার জন্য গত মঙ্গলবার সকালে একটি সালিস বৈঠক বসে। কিন্তু কোনো মীমাংসা ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়। আর ওই রাতেই হামলা চালিয়ে সাহিদাকে পিটিয়ে আহত করে বিল্লাল ও তার সহযোগীরা। সাহিদাকে প্রথমে কেশবপুর হাসপাতাল ও পরে যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এলাকার কাউন্সিলর মফিজুর রহমান বলেন, তিনি আগের ঘটনায় সালিসে বসেছিলেন। পরের দিন সকালে আবারও বসার কথা থাকলেও রাতে সাহিদা বেগমের ওপর হামলা চালানো হয়।

আনোয়ার হোসেন বলেন, দ্বিতীয়বার হামলার ঘটনার পর থেকে তাঁর পরিবারের সদস্যরা আতঙ্কে রয়েছে। সন্ধ্যার পর তাঁরা ঘর থেকে বের হতে সাহস পাচ্ছে না।

কেশবপুর ওসি সহিদুল ইসলাম সহিদ জানান, দ্বিতীয় হামলার ঘটনায়ও থানায় মামলা হয়েছে।

মন্তব্য