kalerkantho


নেত্রকোনায় শাশুড়ি ফেনীতে স্ত্রী খুন

নেত্রকোনা ও ফেনী প্রতিনিধি   

৩ মার্চ, ২০১৬ ০০:০০



নেত্রকোনায় শাশুড়িকে মেয়ের জামাই এবং ফেনীর সোনাগাজীতে গৃহবধূকে স্বামী ও শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। দুটি ঘটনাই ঘটেছে গত মঙ্গলবার রাতে।

নেত্রকোনা সদর উপজেলার মোবারকপুর গ্রামে খুন হওয়া ফাতেমা আক্তার খাতুন (৫০) ওই গ্রামের আবদুল কাদিরের স্ত্রী। অভিযুক্ত মেয়ে জামাইয়ের নাম আলমগীর হোসেন (৩৫)।

ফাতেমা আক্তারের পরিবার ও পুলিশ জানায়, ফাতেমা আক্তারের সঙ্গে আলমগীর হোসেনের বিরোধ চলছিল। মঙ্গলবার বিকেলে তাঁদের মধ্যে কথাকাটাকাটি হয়। এরই জের ধরে রাত সাড়ে ৯টার দিকে আলমগীর ধারালো দা দিয়ে ফাতেমা আক্তারকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করেন। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় ফাতেমার। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। আলমগীর পালাতক রয়েছেন। নেত্রকোনা মডেল থানার ওসি এস এম মাছুদুল আলম জানান, এ ঘটনায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

সোনাগাজীর দক্ষিণ চরচান্দিয়া গ্রামের লন্ডনীপাড়ায় গৃহবধূ বিবি জয়নব প্রিয়াকে (২৫) হত্যার অভিযোগে স্বামী, শ্বশুর, শাশুড়িসহ সাতজনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। প্রিয়ার পরিবার ও পুলিশ জানায়, চরচান্দিয়া গ্রামের আমির হোসেন মাঝির মেয়ে বিবি জয়নব প্রিয়ার সঙ্গে তিন বছর আগে একই গ্রামের মোশাররফ হোসেনের আরব আমিরাতপ্রবাসী ছেলে ইসমাইল হোসেন মিয়াধনের (৩২) বিয়ে হয়। এক মাস আগে মিয়াধন দেশে ফেরেন। বিদেশ থেকে পাঠানো টাকার হিসাব নিয়ে কয়েক দিন ধরে স্বামী-স্ত্রীতে বিবাদ চলছিল। প্রিয়ার মা রোকেয়া বেগমের অভিযোগ, টাকার হিসাব দিতে না পারার কথা বলে মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মিয়াধন, তাঁর বাবা মোশাররফ, মা মোহছেনা খাতুন ও ছোট ভাই জুয়েল প্রিয়াকে পিটিয়ে ও শ্বাসরোধে হত্যা করেন। পরে তাঁরা লাশ ঘরের চালার সঙ্গে কাপড়ে বেঁধে ঝুলিয়ে রাখেন। খবর পেয়ে রাতে পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ফেনী সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। প্রিয়া-মিয়াধন দম্পতির মিহি নামের এক কন্যাসন্তান (২) রয়েছে।

সোনাগাজী থানার ওসি মো. হুমায়ূন কবির জানান, আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চালাচ্ছে পুলিশ। প্রিয়ার শ্বশুরবাড়ির লোকজন গা ঢাকা দিয়েছে।


মন্তব্য