kalerkantho


বাঘাবাড়ীতে ফের খোলা স্থানে সার মজুদ

আগের সার নিতে অনাগ্রহী ডিলাররা

শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি   

১৬ ডিসেম্বর, ২০১৭ ০০:০০



রবি ও আসন্ন বোরো মৌসুমে সারের চাহিদার কথা বিবেচনা করে বাঘাবাড়ী নৌ বন্দরে বিপুল পরিমাণ ইউরিয়া সার খোলা আকাশের নিচে মজুদ করা হয়েছে। এরই মধ্যে আবার নতুন করে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে নৌপথে সার আসতে শুরু করেছে। বাঘাবাড়ী বন্দরে জায়গা না হওয়ায় নতুন করে আসা সারগুলো খোলা আকাশের নিচে বন্দর এলাকার নদীর পাড়েই রাখা হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার বন্দর এলাকা ঘুরে জানা গেছে, পরিবহন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান পোটন ট্রেডার্স, নবার অ্যান্ড কম্পানি, সাউথ ডেল্টা, গ্রাম সিডো, সুরমা ট্রেডার্স, বাল্ক ইন্টারন্যাশনালসহ সাত-আটটি প্রতিষ্ঠান জাহাজযোগে চট্টগ্রাম ও মোংলা সমুদ্রবন্দর থেকে নদীপথে শাহজাদপুর বাঘাবাড়ী নৌ বন্দরে সার আনতে শুরু করেছে। এই বন্দরে আগে আনা সারগুলোর মধ্যে পোটন ট্রেডার্সের ১০ হাজার মেট্রিক টন সার খোলা আকাশের নিচে ত্রিপল দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছে। আর বাকি কয়েকটি পরিবহন ঠিকাদারের আনা সারগুলো পৃথক পৃথকভাবে প্রায় ৩০টি স্থানে স্তূপাকার করে রাখা হয়েছে।

এরই মধ্যে বন্দরের অভ্যন্তরে জায়গা না থাকায় বড়াল নদের পাড় ঘেঁষে সার মজুদ করা হচ্ছে। পরিবহন ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যমতে, প্রতিদিন বন্দরে ৫০ থেকে ৬০ হাজার বস্তা ইউরিয়া সার জাহাজ থেকে খালাস করা হচ্ছে। পরিবহন ঠিকাদার সাউথ ডেল্টা কম্পানির বাঘাবাড়ী বন্দর প্রতিনিধি মো. সেকেন্দার আলী, পোটন ট্রডার্সের প্রতিনিধি আবুল হোসেন রাজু ও নবাব অ্যান্ড কম্পানির প্রতিনিধি হেলাল উদ্দিন জানান, বাঘাবাড়ী বন্দরে সার পৌঁছানোর পর সেগুলো উত্তরাঞ্চলের ১৬টি জেলার বিভিন্ন বাফার গোডাউনে সড়কপথে পাঠানো হয়। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। নতুন করে আমদানীকৃত সারে ডিলারদের বেশি চাহিদা থাকায় আগে নিয়ে আসা সারগুলো নিয়ে বিপাকে পড়েছেন তাঁরা।

বাঘাবাড়ী বাফার গোডাউনের পরিদর্শক মো. সোলাইমান জানান, এ মৌসুমে আমদানি করা সার গুদামে স্থান না থাকায় বাইরে মজুদ করতে হচ্ছে।



মন্তব্য