kalerkantho


ফেসবুক থেকে পাওয়া

ক্রাশের অপমৃত্যু

১ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



সকালে ফেসবুকে ঢুকতেই একটা মেয়ের প্রফাইল চোখের সামনে ভেসে উঠল। কালো চুলের মায়াবি চোখের এক মেয়ে। মিউচ্যুয়াল ফ্রেন্ড দেখি গ্রামের বন্ধুরা। তাই কিছু না ভেবেই ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট পাঠিয়ে দিলাম। কিছুক্ষণ পরেই রিকোয়েস্ট একসেপ্ট হলো। মেসেজ দিয়ে প্রথমেই বাবার নাম জিজ্ঞেস করলাম। ভাবলাম ভড়কে যাবে। কিন্তু না, এভাবে কথা এগোতে লাগল। কথায় কথায় জানলাম দুজনের বাড়ি একই গ্রামে, এমনকি একই পাড়ায়। আহা, দিন দিন মেয়েটার ওপর ক্রাশ খাবার পরিমাণ যেন বাড়তে লাগল। ঈদের ছুটিতে বাড়িতে এসে মাকে মেয়েটার বাবার নাম বলে জানতে চাইলাম চেনে কি না। তারপর যা শুনলাম তাতে আমার আক্কেল গুড়ুম। ওই মেয়েটার বাবা নাকি আমার ভাই হয়, হিসেবে মেয়েটি আমার ভাতিজি। দুঃসম্পর্কের নাকি সুসম্পর্কের তা আর জানতে চাইনি। মনকে এটা বলেই সান্ত্বনা দিলাম—আমি শুধু সুন্দরের পূজারি, মেয়েটি সুন্দর তাই ভালো লেগেছে, এর বেশি কিছুই নয়। এভাবেই একটি ক্রাশের কাহিনি শুরু হওয়ার আগেই অঙ্কুরে বিনষ্ট হয়ে গেল।

আল সানি

টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগ, সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়।



মন্তব্য