kalerkantho


মানু মিঞার বাড়ী

পুরো সাভার এক নামে চেনে বাড়িটি। সিনেমাবাড়ি বললে ভালো চেনে। নানা গল্প জমে আছে বাড়িটায়। মাসুম সায়ীদ শুনতে গিয়েছিলেন

১৩ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



মানু মিঞার বাড়ী

নদীর ধারের বাড়ি। লোহার গরাদের ভারী পাল্লার সদর দরজা। পাকা একতলা বাড়ি ভেতরে। বারান্দা লোহার গ্রিল দিয়ে ঘেরা। বারান্দার দেয়ালে কালো টাইলস। ঢোকার মুখে ডালপালা ছড়ানো একটি শিউলিগাছ। আঙিনাটা ঘাসে ছাওয়া। যেন খেলার মাঠ। পাকা বাড়ি পার হলে আরেকটা ফটক। তারপর আবার বড় উঠান। আম, জাম, কাঁঠাল, কামরাঙাগাছের ছায়ায় শীতল সেই উঠান। উঠানের উত্তর, পশ্চিম আর পুবের তিন ভিটায় তিনটি ঘর। পাকা ভিটির ওপর টিনের চারচালা। লোকজন কেউ থাকে না সেসব ঘরে। তবু তারা আছে কালের সাক্ষী হয়ে।

নাহিদ, মানু মিঞা ও কিমতি

পরিচয় হোক তবে

বংশী নদীর পারের বাড়ি। সাভার থানার একটু দক্ষিণে। নিজাম উদ্দীন খান ওরফে মানু মিঞা পেশায় ঠিকাদার ছিলেন। শৌখিন মানুষ ছিলেন। বেশ পরিপাটি করেই সাজিয়েছিলেন তাঁর এই বাড়ি। চিত্রজগতের রথী-মহারথীদের সঙ্গে ছিল সখ্য। সেই সুবাদেই বাড়িটি সিনেমার সেট হয়ে যায়। নগরায়ণ তখনো থাবা বসায়নি সাভারে। নদীর পূর্ব পারে জমজমাট জনপদ। কিন্তু পশ্চিমে নদীর চর, কাশবন আর দিগন্তজোড়া ফসলের মাঠ। নদীতে পালতোলা নাও। একেবারে পটে আঁকা ছবির মতো সব। ঢাকার এত কাছে গ্রামের দৃশ্যের জন্য লোকেশনটার কোনো জুড়ি ছিল না তখন।

দুই পয়সার আলতাসহ অনেক ছবির শুটিং হয়েছে এখানে

যাঁরা এসেছিলেন

‘লাল কাজল’, ‘পালকি’, ‘দুই পয়সার আলতা’, ‘লাঠিয়াল’, ‘ভাত দে’—আরো অনেক ছবির শুটিং হয়েছে এই বাড়িতে। অভিনয় করতে এসেছেন আজিম, রাজ্জাক, আলমগীর, ফারুক, জাফর ইকবাল, ইলিয়াস কাঞ্চন, শাবানা, ববিতা, সুচরিতা, কবরী, অঞ্জু ঘোষ, রোজিনা, অঞ্জনা, সুনেত্রা, জিনাত, নূতন, নীপা মোনালিসা, প্রবীর মিত্র, আশীষ কুমার লোহ, আনোয়ারা, দিলদার, নাসির খান—আরো অনেকে।

 

এক বিকেলে

বারান্দায় দাঁড়িয়ে বেল বাজাই বিকেলবেলায়। মানু মিঞা ইন্তেকাল করেছেন ২০০০ সালে। তাঁর দুই ছেলে—নসিমউদ্দিন খান মিহির আর নাঈম খান ওয়াহিদ। মিহির খান স্থায়ী হয়েছেন আমেরিকায়। বাড়িতে থাকেন ওয়াহিদ খান আর তাঁর স্ত্রী শিরিন খান শিউলি। তাঁদের ছেলে নাহিদ, মেয়ে কিমতি। কিমতির বিয়ে হয়ে গেছে। দরজা খুলে দেয় নাহিদ। ওয়াহিদ খান, শিরিন খান ছাড়াও সেদিন বাসায় পাই শিরিন খানের ছোট ভাই সজলকে। তাঁদের এখন প্রবীণই বলা যায়। কিন্তু সেসব দিনের কথা উঠতেই উথলে উঠল তারুণ্য।

ওয়াহিদ ও শিরিন তখন

নায়ক নায়ক ওয়াহিদ

ওয়াহিদ তখন কলেজে পড়েন। নায়ক নায়ক ভাব ছিল তাঁর মধ্যে। দেখতেও ভালো ছিলেন। অনেকেই নায়ক আলমগীরের সঙ্গে চেহারার মিল খুঁজে পেত। ‘আলমগীর ভাই খুবই ভালো লোক। রাজ্জাক ভাই তো চলেই গেলেন। মৃত্যুর কিছুদিন আগে টিভিতে যখন দেখলাম, তখনই বুঝলাম রাজ্জাক ভাইয়ের দিন শেষ। সত্যি সত্যি ফলে গেল কথা। মাঝেমধ্যেই আমার এমন হয়। বিশেষ করে বৃহস্পতিবারে। আমি মনে হয় তখন ভবিষ্যৎ দেখতে পাই।’ বলে হেসে ফেললেন ওয়াহিদ খান। সুযোগটা ছাড়লেন না ভাবি। ‘তুমি তো কামেল হয়ে গেছ!’ এবার হেসে উঠলেন দুজনই। হাসি আটকাতে পারলাম না আমরাও। নায়ক আজিম ডাকতেন তাঁকে গুণ্ডা বলে। ‘এসেই ডাক ছাড়তেন, গুণ্ডা কইরে,  গুণ্ডা!’ বলবেন না কেন? লাইসেন্স করা রিভলবার কোমরে গুঁজে ঘুরে বেড়াতেন তখন। প্রায়ই শিকারে যেতেন রাইফেল কাঁধে নিয়ে। তাঁর বেশি ভাব ছিল জাফর ইকবালের সঙ্গে। ‘জাফর ভাই, আহ্! কী ভালো একজন মানুষ ছিলেন! জাফর ইকবালের মতো স্মার্ট আমার চোখে পড়ে না। এত স্মার্ট ছিলেন।’ দিলদার আর নাসির খানও হয়ে ওঠেন তাঁর ঘনিষ্ঠ বন্ধু। নায়িকাদের অনেকের সঙ্গেও ছিল সহজ সম্পর্ক। নূতন এসেই ওয়াহিদ ভাই ওয়াহিদ ভাই করে ডাকতে ডাকতে ঘরে ঢুকতেন। সহধর্মিণী শিউলি নূতনের এই আহ্লাদপনাকে খানিকটা ঈর্ষাই করতেন। এ নিয়ে কথা উঠলে এখনো মধুর খুনসুটি হয়। অবশ্য তিনিও সৌন্দর্যে কারো চেয়ে কম ছিলেন না। শোবার ঘরে দুজনের নতুন জীবনের যুগল ছবি অন্তত সে কথাই বলে। হাল আমলের নায়ক-নায়িকাদের মধ্যে বেশি করে মনে পড়ে রিয়াজ, ফেরদৌস আর শাবনূরকে। ‘রিয়াজ আমাকে মামা বলে ডাকে। আর ফেরদৌস তো অমায়িক একটা ছেলে।’ টিভি তারকারাও আসতেন অনেকে। জাহিদ হাসানকে ওয়াহিদ খান ডাকেন শ্যালক বলে। শ্বশুরবাড়ি সিরাজগঞ্জ কি না তাই। ছবি করার প্রস্তাবও পেয়েছিলেন। কিন্তু মা রাজি হননি।

 

লাজুক বধূ শিরিন খান

শিরিন খান শিউলি এই বাড়িতে বউ হয়ে আসেন ১৯৭৬ সালে। বাবা ছিলেন বেঙ্গল কার্পেট কম্পানির প্রধান প্রকৌশলী। ফ্যাক্টরিটা ঠিক নদীর ওপারে। তিনি পরিবার নিয়ে থাকতেন এপারেই। দুই পরিবারের মধ্যে জানাশোনা ছিল। সেই সুবাদেই বিয়ে। বেশ লাজুক গৃহবধূটি ছিলেন শিরিন। বাইরের হৈ-হুল্লোড়ে খুব একটা কৌতূহল ছিল না তাঁর। সিনেমার শুটিং দেখারও আগ্রহ ছিল না। ‘একই দৃশ্য বারবার— বিরক্তিকর!’ তবে ‘লাল কাজল’ সিনেমার ফারুকের আমগাছের ডালে রশিতে ঝুলে ফাঁস নেওয়ার দৃশ্যটা দেখার কৌতূহল সামলাতে পারেননি তিনি। ‘রাতের বেলা দৃশ্যটা ধারণ করা হয়। উঠানে বড় যে আমগাছটা—ভিটি বাঁধা—সেই গাছটাতে। একবার মাথার দিকটা আরেকবার পায়ের দিকটা—দুবারে ধারণ করা হয় দৃশ্যটা।’ নায়কদের অনেককেই দেখেছেন কাছ থেকে। ‘জাফর ইকবাল সব সময় গান গাইতেন। সিনেমার শুটিংয়ের জন্য অন্যরা হয়তো মেকআপ নিচ্ছেন আর তিনি গাছতলায় চেয়ারে বসে গান গাইছেন আপন মনে। নায়িকারা অনেকে এসে সোজা চলে আসতেন ঘরে। গলা জড়িয়ে জানতে চাইতেন কেমন আছি। কেউ কেউ ইউনিটে জানিয়ে দিতেন, ‘এই আমি আজ তোমাদের সঙ্গে খাব না, এখানে ভাবির রান্না খাব।’ অনেক সময় ভিড় বেশি হলে চলে যেতেন বাবার বাসায়। ‘সুচরিতা এসেই বলতেন, কোথাও যাবেন না কিন্তু, ভাবি।’ খুব ভাব হয় সুচরিতার সঙ্গে শিরিন খানের। এখনো যোগাযোগ আছে। মাঝেমধ্যে কথাও হয় টেলিফোনে। এতটা যে নিজের মেয়ের নামও রাখেন সুচরিতা। তা-ও তাঁর নিজের মেয়ের নামেই। ‘শাবানা একটু রিজার্ভ থাকতেন। কথা বলতেন কম। রোজিনাকে তো মেকআপ ছাড়া চেনাই যেত না। খুব সাদামাটা চেহারা। কিন্তু ক্যামেরায় অসম্ভব সুন্দর আসত তাঁর মুখ। একদিন ঘুম থেকে ওঠার পর মেকআপ ছাড়া রোজিনাকে দেখি। প্রথমে তো চিনতেই পারিনি। সে তুলনায় নীপা মোনালিসার কপাল মন্দই বলতে হবে। বাস্তবে কী অসাধারণ দেখতে! আর পর্দায় দেখায় খুব সাধারণ। এ কারণেই বোধ হয় বেশির ভাগ সময় সাইড নায়িকা হয়েই থাকতে হলো তাকে। খুবই মিশুক ছিল সে। এসেই জড়িয়ে ধরত। নূতনও খুব মিশুক ছিল। নাহিদকে আদর করত খুব। খুব আধুনিক ছিলেন ববিতা।  অঞ্জনা, রানী, অঞ্জু ঘোষের ব্যবহারও ছিল ভালো। প্রাণখোলা বন্ধুর মতো মিশতেন সবাই। হায়রে অঞ্জু ঘোষ! শুধু আমার পেছনে পেছনে ঘুরত আর পীড়াপীড়ি করত মেকআপ দেওয়ার জন্য। আমার আবার ওসব মেকআপ দেখলেই ভয় লাগত খুব। বলত, ও ভাবি, ভাবি, একটু মেকআপ করে দিই আপনাকে। ভালোই ওরা...।’

কিমতির নাম রেখেছিলেন সুচরিতা

পুতুল পুতুল কিমতি

কিমতিকে পেটে ধরেছেন শিরিন খান। কিন্তু নামটা রেখেছেন সুচরিতা। খুব ভালো বন্ধুত্ব ছিল সুচরিতা আর শিরিনের। বন্ধুত্বের নিদর্শনকে সুচরিতা পাকা করেছেন নিজের মেয়ের নামে বান্ধবীর মেয়ের নাম রেখে। খুব আদর পেয়েছে কিমতি চিত্রজগতের সবার কাছ থেকেই। যে-ই দেখত তুলে নিত কোলে। ক্যামেরাম্যানরা তুলেছে কিমতির অনেক ছবি। বেশির ভাগই সাদাকালো। খাবার ঘরের দেয়ালে এখনো ঝোলানো আছে একটা ছবি। কিমতি আর নাহিদকে কোলে নিয়ে দাদা মানু মিঞার আবক্ষ ছবি। সেসব স্মৃতি পেছনে ফেলে কিমতি চলে গেছে শ্বশুরবাড়ি।

 

তুলতুলে নাহিদ

‘নাহিদ ছিল বেশ হেলদি। তুলতুলে। তাই সবাই কোলে নিত। নূতন এসেই কোলে নিতেন নাহিদকে। শাড়ির আঁচল বিছিয়ে দিয়ে তার ওপর নাহিদকে বসিয়ে ছবি তুলতেন। নাহিদের কত ছবি যে নূতন তুলেছেন, তার হিসাব নেই।’ বলছিলেন নাহিদের মা শিরিন খান। নাহিদের অবশ্য এত কিছু মনে নেই। সে বসে বসে হাসছিল মায়ের কথা শুনে।

 

কিশোর সজল

সজল তখন স্কুলপড়ুয়া কিশোর। বোনের বাড়িতে আসতেন প্রায়ই। আর শুটিং এলে তো কথাই নেই। মানু মিঞাও বেশ স্নেহ করতেন তাঁকে। শুটিংয়ের সময় লোকারণ্য হয়ে যেত। সিনেমার লোকেরা তো বটেই, সজলও তত্পর থাকতেন লোক তাড়াতে। “কেউ কেউ উঠে পড়ত বাড়ির সীমানা পাঁচিলের ওপর। তখন  চাচা আমাকে ডাকতেন, ‘সজল, ওই দেখো, লোক তাড়াও।’ আর আমি ছুটে যেতাম লাঠি হাতে। তখন আমি ক্লাস সেভেনে পড়ি। খুব গান শুনতাম। একটা গানের শুটিংয়ের কথা মনে আছে। গানটা আব্দুল হাদীর গাওয়া। খুবই বিখ্যাত একটা গান—‘তো প্রেম হয়/ও...চোখের জলে কথা কয়/নিজে নিজে জ্বলে-পোড়ে/ও...পাষাণে বাঁধে এ হৃদয়...’ এই গানটা। এত সুন্দর গান! আমার ক্যাসেট প্লেয়ার ছিল, তো আমি বললাম, দেন না ক্যাসেটটা আমি শুনব। প্রডিউসার কে যেন ছিলেন মনে নেই, তিনি বললেন, ‘না বাবা, ছবি এখনো মুক্তি পায়নি। এ গান যদি তুমি জোরে বাজাও!’ আমি বললাম, দেন না...খুব রিকোয়েস্ট করতেই ক্যাসেটটা দিয়ে দিলেন। সঙ্গে ওই ছবির সব গান।” দুই পয়সার আলতা সিনেমার গান এটা। ১৯৮২ সালে মুক্তি পাওয়া রাজ্জাক-শাবানা অভিনীত এই সিনেমাটি পরিচালনা করেন বিখ্যাত চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন। সিনেমাটি জাতীয় পর্যায়ে চারটি পুরস্কার পায়।

নাহিদ, শিরিন, ওয়াহিদ, কিমতি এখন

স্মৃতি অবিনাশী

স্মৃতি হাতড়ান শিরিন খান—‘সেই সময়ের নায়ক-নায়িকাদের ব্যবহার ছিল অমায়িক। এখনকার দিনের মতো এত দেমাগ তাঁদের ছিল না। ববিতা, সুচরিতা, নূতন, অঞ্জনা—প্রাণখোলা মানুষ ছিলেন তাঁরা। মিশতেনও বন্ধুর মতো।’ তাঁরা ছিলেন অক্লান্ত পরিশ্রমী। ‘কোনো একটা সিনেমার একটা শট বাকি ছিল ববিতার। ববিতা আবার তখন অন্তঃসত্ত্বা। তা-ও আবার বাসররাতের দৃশ্য! শরীরের ওই অবস্থা নিয়েই কাজটুকু করে গেলেন তিনি। শাবনূর এখনো সময় পেলে আসেন মাঝেমধ্যে। ফেরদৌস আসে তার মা-বাবাকে সঙ্গে নিয়ে।’ নাহিদ অস্ট্রেলিয়া যেতে চেয়েছিল পড়তে। শুনে শাবনূর খুব উৎসাহ দিয়েছিলেন নাহিদকে। বলেছিলেন, ‘কোনো অসুবিধা নেই, তুমি যাও। ওখানে আমার বোন আছে। আমি সব ব্যবস্থা করে দেব। তোমার কোনো অসুবিধা হবে না।’ বাবার অসুস্থতার জন্য যাওয়া হয়নি নাহিদের।

নগরায়ণের থাবায় পাল্টে গেছে সাভারের বংশী নদীর দুই পারের চিত্র। এপার ভরে গেছে বাড়িঘরে। ওপারে উঠেছে কলকারখানা। নদীরও সেই যৌবন আর নেই। নিখাদ সেই গ্রামের দৃশ্যও আর নেই। ক্যামেরা তাক করলেই ফ্রেমে ঢুকে পড়ে দালানকোঠা কিংবা অট্টালিকার চূড়া। সিনেমাপল্লী হয়তো গড়ে উঠেছে অন্য কোনোখানে, তবু চিত্রপুরীর পুরনো কেউ এলে ঘুরে যান বাড়িটা। এই বাড়ির সামনের নদীর পারটুকুই ফাঁকা। নদীর তীরে সূর্যাস্ত দেখার জন্য আজ মানুষ ভিড় জমায় এখানে। নৌকায় ঘুরে বেড়ায় নদীর জলে। ওয়াহিদ খান অসুস্থ। নাহিদ ব্যস্ত তাঁর নিজের জগৎ নিয়ে। যতটা অবসর পান দেখাশোনা করেন বাবার। বাড়ির ওদিকটা প্রায় যাওয়াই পড়ে না কারো। ঘরগুলো পড়ে আছে। লতাপাতায় দখল হয়ে গেছে উঠানের অনেকখানি। ঘরের দেয়ালের কোথাও কোথাও হয়তো নোনা ধরেছে। ভেঙেচুরে দালান তুললে ভাড়াটিয়া আসবে স্রোতের মতো। আপাতত সে ইচ্ছা নেই তাঁদের। স্বপ্নময় মধুর স্মৃতি জড়িয়ে থাক না গাছপালাসুদ্ধ উঠান-বাড়িঘরে আরো কিছুদিন।

 

ছবি : লেখক


মন্তব্য