kalerkantho


ফেসবুক থেকে পাওয়া

ক্লোজ আপ খান্দাত আওয়ার গল্প

(সিলেটি ভার্সন)

১৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৭ ০০:০০



শহর আলীর ফেসবুক নাম আলি শাহ। বাক্কা দিন ধরি তাইন প্রেম কররা জরি মানে জরিনা খাতুন অর লগে।

তারার প্রেম অনলাইনে শুরু।

ফেসবুকে পরিচয় এখনো দেখা অইছে না।

একদিন শহর আলী শহর দেখাত আইয়া কাজীর বাজার ফুলর উফরে সেলফি তুলিয়া ফেসবুকে আপলোড দিতেও জরিনায় ইনবক্স করলা।

—জান তুমি খই?

—আমি কাজির বাজার ফুলর উফরে।

—ইনো খিতা কর?

—বাতাস খাই জান

—অখন ঠাণ্ডার দিন অ কিতা বাতাস খাও, আমি বুজচি তুমি ফুড়িন দেখরায় (গুসার ইমো)।

—না না জান, ইতা কিতা কও! আমি কোনো ফুড়িন দেখরাম না। আমি ফানির বায় চাইয়া আছি।

—হাছা কইরায়নি?

—অয় জান হাছা, ফানি বায় চাইয়া চাইয়া তুমার খতা ভাবরাম।

—কিতা ভাবরায় (খুশির ইমো)

—ভাবরাম কুনদিন যে তুমার লগে অফলাইনে দেখা অইত।

—অইব জান, অইব। আম্র ফরিক্কা শেষ অই যাউক।

—তুমার ফরিক্কা শেষ অইতে অইতে আমি বাছিয়া থাকমুনি?

অলা মাতি মাতি আখতা জরিনার লগে শহর আলির খেসা দরবার লাগি গেল।

—আমি অখন ফাল মারি গাংগো ফড়িয়া সুইসাইড করমু, মরমু কি বাছমু জানি না, তুমি ভালা থাকিও, সুখে থাকিও।

—না না জান, তুমি মরার আগে আমি মরমু।

—না আমি আগে মরমু, উবাও ইশটেটাস দিলাই শেষমেশ।

এর বাদে জরি উরফে জরিনা খাতুন তার তালতলার বাসা তাকি দৌড়ি ডৌড়ি কাজীর বাজার ফুলর উফরে আইয়া জোরে জোরে শহর আলীরে ডাখা আরম্ব খরল।

শহর আলী তখন ফুচকা খাওয়াত।

জরিনা খাতুন আইয়া শহর আলীরে ফুচকা খাওয়াত দেখিয়া রাগে গুসায় ছুকে লাল অই গেলা।

তখন শহর আলী ফুচকার প্লেইট ফালাইয়া রাস্তার মাঝখানো খাড়াই গেল।

কিন্তু কোন গাড়িয়ে ফিশীয়া যায় না, সব গাড়ি সাইড কাটিয়া যাওয়া ধরল।

তখন জরিনা আইয়া শহর আলীর আতো ধরিয়া ফুলর মাঝখান তাকি হরাইয়া নিয়া খইলা, ‘তুমি আস্তা এখটা ফাগল!’

 

তৌকির

সিলেট।


মন্তব্য