kalerkantho


অধ্যক্ষ মাহফুজা হত্যা

দুই গৃহকর্মী ছদ্মবেশে পালিয়ে যায়

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



ইডেন কলেজের সাবেক অধ্যক্ষ মাহফুজা চৌধুরী পারভীন হত্যা মামলার অন্যতম আসামি রুনু আক্তারকে গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমণ্ডি এলাকা থেকে আটক করেছে পুলিশ। রেশমা ও স্বপ্না নামে দুই গৃহকর্মীকে রুনুই মাহফুজা চৌধুরীর বাসায় কাজে দিয়েছিলেন বলে পুলিশ জানায়।

নিউ মার্কেট থানার ওসি মো. আতিকুর রহমান বলেন, এজাহারভুক্ত আসামি রেশমা ও স্বপ্নার উপস্থিতিতেই এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। তাদের সম্ভাব্য অবস্থান সম্পর্কে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে।  রুনুকে নিয়ে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

রবিবার মাহফুজা চৌধুরী খুন হওয়ার পর রুনুর সঙ্গে এক পুলিশ কর্মকর্তা ফোনে কথা বলছিলেন। মাহফুজা চৌধুরীকে হত্যা করে বাসার মালামাল লুট করে রেশমা ও স্বপ্না পালিয়েছে—এমন বক্তব্য শোনার পর রুনু পুলিশের কল কেটে দিয়ে মোবাইল ফোন বন্ধ করে দেন। তার পর রুনু গাঢাকা দিলেও ধানমণ্ডি এলাকা থেকে গতকাল ভোরের দিকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

ঘটনার দিন বাসায় রাশিদা নামে তৃতীয় একজন গৃহকর্মী ছিলেন। রাশিদা কালের কণ্ঠকে বলেন, স্বপ্না ও রেশমার সঙ্গে বাসাতেই তাঁর পরিচয়। বিকেলে তিনি ঘুমিয়েছিলেন, কখন মাহফুজা খুন হয়েছেন, তাঁর জানা নেই। বাসার নিচতলায় নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন দুজন নিরাপত্তারক্ষী। নিচতলার লিফটের পাশের একটি ছোট্ট কক্ষ থেকে ক্লোজ সার্কিট ক্যামেরা (সিসি) নিয়ন্ত্রণ করা হয়। বাসার নিরাপত্তাব্যবস্থা দেখাশোনাকারী  হেলাল উদ্দিন বলেন, ২৪ ঘণ্টা দুজন করে দারোয়ান গেটে থাকেন। সিসি ক্যামেরায়ও রেকর্ড রাখা হয়। তবে ৩২টি ক্যামেরার ফুটেজ যাচাই-বাছাই করেও স্বপ্না ও রেশমা কখন বের হয়েছে তা শনাক্ত করা যায়নি। তবে ঘটনার দিন বিকেল ৩টা ৯ মিনিটের পর দুজন বোরখা পরা নারীকে বের হতে দেখা যায়, মনে করা হয় তারাই স্বপ্না ও রেশমা।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের উপকমিশনার মারুফ হোসেন সরদার কালের কণ্ঠকে বলেন, স্বপ্না ও রেশমার এ হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয়ে অনেকটাই নিশ্চিত হওয়া গেছে।



মন্তব্য