kalerkantho


ভাসানচরে রোহিঙ্গা স্থানান্তর

কাজ শেষে রাষ্ট্রদূতদের পরিদর্শনের আমন্ত্রণ

ইয়াংহি লি কক্সবাজার যাচ্ছেন আজ

কূটনৈতিক প্রতিবেদক   

২১ জানুয়ারি, ২০১৯ ০০:০০



রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তরের জন্য সেখানে উন্নয়নকাজ শেষ হলে বাংলাদেশে বিদেশি রাষ্ট্রদূতদের পরিদর্শনের জন্য আমন্ত্রণ জানাবে সরকার। মিয়ানমারে মানবাধিকারবিষয়ক জাতিসংঘের স্পেশাল র‌্যাপোর্টিয়ার ইয়াংহি লির চলমান বাংলাদেশ সফরে ভাসানচরে যাওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও তা হচ্ছে না। আর ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের সাময়িকভাবে স্থানান্তরে বাংলাদেশের পরিকল্পনা নিয়ে জাতিসংঘসহ পশ্চিমা বিভিন্ন দেশের উদ্বেগ রয়েছে। তবে সরকার বলেছে, সব সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেই সেখানে রোহিঙ্গাদের স্থানান্তর করা হবে। সরকার কি ইয়াংহি লিকে ভাসানচরে যেতে দিচ্ছে না?—এমন প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আবদুল মোমেন গতকাল রবিবার বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের বলেন, ‘এটি ঠিক নয়। আমরা বলেছি, কাজটা অগ্রসর হচ্ছে। কাজটা শেষ হলে যাবেন। বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদেরও নিয়ে যাব। আমরা কিছু লুকাতে চাই না। কাজ শেষ হয়নি। এখন গিয়ে সুবিধা হবে না।’

এদিকে ইয়াংহি লি ছয় দিনের সফরে গত শনিবার ঢাকায় আসেন। আজ সোমবার তিনি রোহিঙ্গা পরিস্থিতি দেখতে কক্সবাজার যাচ্ছেন। গতকাল রবিবার বিকেলে পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের পর তিনি সাংবাদিকদের বলেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানের উপায় নিয়ে তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলাপ করেছেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেন, ‘জাতিসংঘের এই র‌্যাপোর্টিয়ার রোহিঙ্গা ইস্যুতে অনেক দিন ধরে কাজ করছেন। তাঁর সঙ্গে অনেক বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘আমরা চাই সমাধান। তাড়াতাড়ি হলে সুবিধা হয়। দীর্ঘায়িত হলে সেখানে অনিশ্চয়তা দেখা দিতে পারে। তাতে সব দেশের ক্ষতি হবে। বিশেষ করে মিয়ানমার, বাংলাদেশ, থাইল্যান্ডসহ বিভিন্ন আঞ্চলিক দেশ প্রতিবেশী ভারতেরও সমস্যা হবে। চীনও হয়তো তাদের উদ্দেশ্য হাসিল করতে পারবে না। এ জন্য এই ইস্যু তাড়াতাড়ি সমাধান করা দরকার। এ নিয়ে আলোচনা করেছি যে কিভাবে সমাধান করতে পারি।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা বলেছি যে আরো কিছু রাষ্ট্রের সক্রিয় সহযোগিতা আমাদের প্রয়োজন। জাপানের সঙ্গে যখন আলোচনা হচ্ছিল, তখন তারা সহযোগিতার কথা বলেছে। তাদের যথেষ্ট সম্ভাবনা আছে মিয়ানমারে।’



মন্তব্য