kalerkantho


যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ

মাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর মেয়েকে কুপিয়ে জখম

রাঙ্গাবালী (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



মাকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর এবং মেয়েকে কুপিয়ে জখম করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। গত শুক্রবার সকালে পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলার ছোটবাইশদিয়া ইউনিয়নের ভূঁইয়ার হাওলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই দিন আহত হালিদা বেগম বাদী হয়ে রাঙ্গাবালী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।   

স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, ভূঁইয়ার হাওলা গ্রামের আব্দুর রহিম হাওলাদারের সঙ্গে তাঁর প্রতিবেশী একই এলাকার (৩ নম্বর ওয়ার্ড) যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক বশির মোল্লার পরিবারের জমিসংক্রান্ত বিরোধ চলছিল। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে মামলা চলমান। বশির বিরোধপূর্ণ জমির গাছ থেকে নারিকেল কাটতে গেলে প্রতিপক্ষ রহিম হাওলাদারের স্ত্রী হালিদা বেগম বাঁধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে হালিদাকে জোর করে বশির লোকজন নিয়ে তাঁর বাড়িতে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যান। একপর্যায় তিনি এবং তাঁর ভাই আলম মোল্লা হালিদাকে বাড়ির আঙ্গিনায় গাছের সঙ্গে বেঁধে বেধড়ক পেটান। এ খবর পেয়ে রহিম হাওলাদার ও তাঁর মেয়ে রহিমা বেগম ঘটনাস্থলে ছুটে যান। মাকে রক্ষা করতে গেলে রহিমার মাথায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে জখম করেন বশির মোল্লা। পরে রহিম হাওলাদারকেও মারধর করতে থাকলে স্থানীয় লোকজন তাঁদের উদ্ধার করে।

আহত রহিম হাওলাদার বলেন, ‘নারিকেল কাটতে বাধা দেওয়ায় আমার স্ত্রীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে মারধর করে বশির। খবর শুনে আমি আর আমার মেয়ে সেখানে গেলে মেয়েকে কুপিয়ে আহত করে। আমাকেও লাঠি দিয়ে পেটায়।’

অভিযুক্ত বশির মোল্লা বলেন, ‘আমাদের জায়গা-জমিসংক্রান্ত বিষয়ে আদালতে মামলা আছে। স্থানীয় লোকজন কয়েকবার সালিসও করেছে। রহিমাকে কেউ কোপায়নি।’

রাঙ্গাবালী থানার ওসি মিলন কৃষ্ণ মিত্র জানান, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

 



মন্তব্য