kalerkantho


সিএনজি অটোরিকশায় বিদ্যুতের তার, প্রাণ গেল চারজনের

তিনজন একই পরিবারের

কুমিল্লা (দক্ষিণ) প্রতিনিধি   

২৩ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



কুমিল্লার নাঙ্গলকোটে চলন্ত সিএনজি অটোরিকশার ওপর ১১ হাজার কিলোভোল্টের (কেভি) বিদ্যুতের তার ছিঁড়ে পড়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে। এঁদের মধ্যে তিনজন একই পরিবারের। আরেকজন অটোরিকশাটির চালক। গত শুক্রবার দুপুরে নাঙ্গলকোট-দৌলখাঁড় সড়কের বাগমারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসীর অভিযোগ, স্থানীয় পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গাফিলতির কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে।

এ অভিযোগে সমিতির বিরুদ্ধে একটি মামলা করা হয়েছে। আর তার ছিঁড়ে পড়ার কারণ অনুসন্ধানে তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি।

মৃত ব্যক্তিরা হলেন নাঙ্গলকোট উপজেলার জোড্ডা পূর্ব ইউনিয়নের শংকরপুর গ্রামের মাওলানা আবু তাহের (৬০), তাঁর ছেলে মাওলানা আবু বায়েজিদ (৩০), বায়েজিদের ছোট বোন ফাহিমা আক্তার (১৮) এবং চালক (একই গ্রামের) সারোয়ার হোসেন (৩৫)। আহত দুজন হলেন বায়েজিদের স্ত্রী  মরিয়ম আক্তার (২২) এবং তাঁর দুই বছরের সন্তান আবদুল আফসার আলামিন।

বায়েজিদ ওমানে থাকেন। গত ১৭ সেপ্টেম্বর দেশে আসেন তিনি। আসার পর শ্বশুরবাড়ি থেকে বায়েজিদ ও তাঁর পরিবারকে দাওয়াত দেওয়া হয়। শুক্রবার সেই দাওয়াত খেতে সিএনজি অটোরিকশায় করে বাবা, ছোট বোন ও স্ত্রী-সন্তানকে নিয়ে শ্বশুরবাড়ি যাচ্ছিলেন তিনি।

নাঙ্গলকোট থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আশ্রাফুল ইসলাম কালের কণ্ঠকে জানান, মৌকরা ইউনিয়নের বাগমারা গ্রাম পার হওয়ার সময় ১১ হাজার কিলোভোল্টের তার ছিঁড়ে অটোরিকশাটির ওপর পড়ে। এতে মুহূর্তের মধ্যেই অটোরিকশায় আগুন ধরে যায় এবং ঘটনাস্থলে চারজনের মৃত্যু হয়। সন্তানকে নিয়ে বায়েজিদের স্ত্রী ছিটকে পড়ে যাওয়ায় প্রাণে রক্ষা পান। ওই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ‘দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগ এনে নিহত মাওলানা আবু তাহেরের ছেলে আবু ছালেহ জাফর একটি মামলা করেছেন। আমরা তদন্ত শুরু করেছি। এখন পর্যন্ত জানতে পেরেছি যে ছিঁড়ে যাওয়া তারটি আগে জোড়া লাগানো ছিল।’

 

 



মন্তব্য