kalerkantho


বগুড়ায় গৃহবধূকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা

নিজস্ব প্রতিবেদক, বগুড়া   

১৪ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



বগুড়ার দুপচাঁচিয়া উপজেলায় আফরুজা বেগম (৩০) নামের এক গৃহবধূকে ধর্ষণের পর গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। তিনি উপজেলার তালোড়া ইউনিয়নের বড়চাপড়া গ্রামের দিনমজুর আব্দুল মান্নানের স্ত্রী। গত বুধবার ভোররাতে ওই গ্রামে তাঁর নিজ বাড়ির শোবারঘরে এ পৈশাচিক ঘটনা ঘটে।

নিহতের পরিবার ও থানা সূত্রে জানা যায়, আফরুজার স্বামী আব্দুল মান্নান দিনমজুরির কাজ করে সংসার চালান। কাজের জন্য মান্নান বিভিন্ন সময় বিভিন্ন এলাকায় রাতযাপন করেন। ঘটনার রাতে তিনি উপজেলার পোড়াদহ এলাকায় অবস্থান করছিলেন। বড় মেয়ে নানার বাড়িতে অবস্থান করায় তাঁর স্ত্রী আফরুজা খাওয়াদাওয়া শেষে তাঁর পাঁচ বছরের মেয়ে মিলিকে নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। এ সুযোগে দুর্বৃত্তরা আফরুজার শোবারঘরের টিনের দরজা কেটে ঘরে প্রবেশ করে ধর্ষণের পর ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে তাঁকে হত্যা করে।

ভোরে নিহতের মেয়ে মিলি গ্রামবাসীকে ঘটনাটি জানালে তারা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ নিহতের লাশ উদ্ধার করে সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করে ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। আদমদীঘি সার্কেলের সহকারী সিনিয়র পুলিশ সুপার আলমগীর রহমান বৃহস্পতিবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

নিহতের স্বামী আব্দুল মান্নান বলেন, ‘দুই মাস আগে আমার বড় মেয়ের শ্লীলতাহানির একটি ঘটনায় একই গ্রামের এক বখাটের বিরুদ্ধে মামলা করায় তাদের পক্ষের লোকজন এ ঘটনা ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছি।’

দুপচাঁচিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আব্দুর রাজ্জাক জানান, আফরুজাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে এ হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটিত হবে।



মন্তব্য