kalerkantho


ভোট গণনা নিয়ে হাতাহাতি

নারায়ণগঞ্জে বিএমএ নির্বাচন

নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি   

৮ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



চিকিৎসকদের সংগঠন বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের (বিএমএ) নির্বাচনে নারায়ণগঞ্জ জেলার ভোট গণনা চলাকালে দুটি প্যানেলের লোকজনের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটেছে। ওই সময় একজন এএসপিসহ অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছে। ঘটনার পর একটি প্যানেলের লোকজন নির্বাচন বয়কট করে চলে যায়।

বৃহস্পতিবার রাত ১১টা থেকে সাড়ে ১১টা পর্যন্ত চাষাঢ়া রাইফেল ক্লাব প্রাঙ্গণে ওই ঘটনা ঘটে। এর আগে সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত টানা ভোটগ্রহণ চলে।

জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে দুটি প্যানেল অংশ নেয়। এর মধ্যে ২২ জনের প্যানেলের বিপরীতে সভাপতি ছাড়া সহসভাপতি আতিকুজ্জামান সোহেল ও সেক্রেটারি নিজাম আলীর নেতৃত্বে পৃথক একটি প্যানেল হয়। তাদের মধ্যে সোহেল নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের স্বাস্থ্যবিষয়ক সম্পাদক। সভাপতি হিসেবে স্বতন্ত্র পদে থাকা ডা. শাহনেওয়াজ অন্তরালে এই প্যানেলের অধিভুক্ত ছিলেন। অন্য প্যানেলের নেতৃত্বে ছিলেন ইকবাল বাহার ও দেবাশীষ সাহা। আইনজীবীদের আরেকটি অংশ নির্বাচনের পরিবর্তে সিলেকশন কমিটি চেয়েছিলেন।

এর মধ্যে সকাল সাড়ে ১০টায় ভোট চলাকালে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতা আবু জাফর আহমেদ বিরুর সঙ্গে বিতণ্ডায় লিপ্ত হন আতিকুর রহমান সোহেল। দিনব্যাপী ভোটগ্রহণে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ থাকলেও রাত ১১টায় ভোট গণনা চলাকালে হঠাৎ করেই একটি ব্যালটকে কেন্দ্র করে চিৎকার করে ওঠেন একটি প্যানেলের সহসভাপতি প্রার্থী আতিকুজ্জামান সোহেল। একপর্যায়ে তিনি ভোট গণনা কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে আসেন। সে সময় ভেতরে প্রবেশ করতে যাওয়া বিপরীত প্যানেলের দপ্তর সম্পাদক ইউসুফ আলী সরকারের সঙ্গে তিনি বিতণ্ডায় লিপ্ত হন। পরে ইউসুফ আলীকে মারধর করে সোহেলের সঙ্গে থাকা লোকজন। এই হাতাহাতি পরে ছড়িয়ে পড়ে ইকবাল বাহার ও সোহেলের মধ্যে। খবর পেয়ে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হয়ে ধাওয়াধাওয়িতে লিপ্ত হয়। এ সময় কমপক্ষে পাঁচজন আহত হয়। এ ছাড়া ইকবাল বাহারের সঙ্গে থাকা নারায়ণগঞ্জের বাইরের জেলার একজন এএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাকে মারধর করা হয়। হামলার অগ্রভাগে ছিল শহরের দেওভোগ এলাকার সাগরসহ আরো কয়েকজন।

 



মন্তব্য