kalerkantho


পুলিশের সঙ্গে ধাওয়া পাল্টাধাওয়া, অস্ত্র উদ্ধার

দুই মামলায় এমপি রানার ১০৪ সমর্থক আসামি

টাঙ্গাইল প্রতিনিধি   

৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



আওয়ামী লীগ নেতা ও মুক্তিযোদ্ধা ফারুক আহমেদ হত্যা মামলায় হাজিরার দিন টাঙ্গাইল-৩ (ঘাটাইল) আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য আমানুর রহমান খান রানার সমর্থকদের সঙ্গে পুলিশের ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দুটি মামলা হয়েছে। গতকাল বৃহস্পতিবার টাঙ্গাইল পুলিশের গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) দুজন উপপরিদর্শক (এসআই) বাদী হয়ে মামলা দুটি করেন। এতে আসামি করা হয়েছে মোট ১০৪ জনকে।

টাঙ্গাইল মডেল থানার ওসি সায়েদুর রহমান জানান, ধাওয়াধাওয়ির ঘটনায় পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে একটি মামলা করেছেন ডিবির এসআই হাফিজুর রহমান। এতে আসামি করা হয় ৯৩ জনকে। ওই ঘটনার সময় টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল এলাকার একটি দোকান থেকে অস্ত্র উদ্ধার করা হয়। এ সময় দোকানে থাকা দুজনসহ মোট ১১ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। ডিবির এসআই আশরাফ বাদী হয়ে অস্ত্র আইনে আরেকটি মামলা করেন। এতে ওই ১১ জনকে আসামি করা হয়। তাদের বৃহস্পতিবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

গত বুধবার মামলার হাজিরার দিন সংসদ সদস্য রানার জামিন হবে বলে তাঁর পক্ষ ও বিপক্ষের নেতাকর্মীরা জানতে পারে। তারা আদালত চত্বরের আশপাশে অবস্থান নেয়। পুলিশও ব্যাপক নিরাপত্তার ব্যবস্থা করে। আদালত চত্বরসহ শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়। সকাল ১১টার দিকে ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার বিচার ও সংসদ সদস্য রানার মুক্তির দাবিতে তাঁর সমর্থকরা মিছিল নিয়ে শহরের শামসুল হক তোরণ এলাকা দিয়ে আদালত চত্বরের দিকে যাওয়ার চেষ্টা করে। একপর্যায়ে পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করে দেয়। সেখানে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় পুলিশ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল এলাকার একটি দোকান থেকে একটি বিদেশি পিস্তল, আটটি গুলি, দুটি ম্যাগজিনসহ দুজনকে আটক করে। পরে আরো ৯ জনকে আটক করা হয়।

২০১৩ সালের ১৮ জানুয়ারি মুক্তিযোদ্ধা ও জেলা আওয়ামী লীগের সদস্য ফারুক আহমেদের গুলিবিদ্ধ লাশ কলেজপাড়া এলাকার তাঁর বাসার কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়।



মন্তব্য