kalerkantho


নাগরিক ঐক্যের আলোচনায় মির্জা ফখরুল

খালেদাকে জোর করে বিশেষ আদালতে আনা হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



খালেদা জিয়াকে জোর করে কারাগারে স্থাপিত বিশেষ আদালতে আনা হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। গতকাল বুধবার বিকেলে জাতীয় প্রেস ক্লাব মিলনায়তনে নাগরিক ঐক্যের উদ্যোগে ‘ইভিএম বর্জন, জাতীয় নির্বাচন ও রাজনৈতিক জোট’ শীর্ষক আলোচনাসভায় এ কথা বলেন তিনি।

মির্জা ফখরুল বলেন, ‘আজকে কারাগারের আদালতে আমাদের আইনজীবীরা কেউ যান নাই। যে দু-একজন গিয়েছিলেন তাঁরা দেখেছেন একটা ছোট্ট কুঠরি। সেটাকে আদালতে রূপান্তরিত করা হয়েছে। সেখানে খালেদা জিয়াকে জোর করে হুইলচেয়ারে করে নিয়ে আসা হয়েছে।’

ফখরুল বলেন, খালেদা জিয়া, যিনি সারা জীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছেন, এখনো কারাগারে বসে সেই সংগ্রাম করছেন। তাঁর মামলার বিচারের আদালত নিয়ে যাওয়া হয়েছে কারাগারের অভ্যন্তরে। এটা সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হয়েছে। দেশের প্রচলিত আইনের লঙ্ঘন হয়েছে।

গণফোরাম সভাপতি ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘আমাদের ঐক্য হবে অন্যায়ের বিরুদ্ধে, নির্ভেজাল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য। বাঙালি জাতির একটা বৈশিষ্ট্য হলো অন্যায়ের বিরুদ্ধে মাথা নত করে না। সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে এই অন্যায় থেকে আমাদের মুক্ত হতে হবে।’

যুক্তফ্রন্টের আহ্বায়ক ও বিকল্পধারা বাংলাদেশের সভাপতি অধ্যাপক এ কিউ এম বদরুদ্দোজা চৌধুরী বলেন, ‘আজকে দেশে শুধুমাত্র আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ইচ্ছামতো ঘুরতে পারবে। এটা সরকারি দলের গণতন্ত্র। এটাই চলছে এখন। বিরোধী দলের জন্য গণতন্ত্র নাই। আমরা বিরোধী দলের গণতন্ত্র চাই।’

জেএসডির সভাপতি আ স ম আবদুর রব বলেন, ‘সরকারকে বলতে চাই, এখনো সময় আছে, নিরপেক্ষ নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন।’ নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, এই সরকার ব্যাংক, মানুষের ব্যবসাপাতি, বন-জঙ্গল, জায়গা-জমি, কয়লা-পানি-পাথর—সব কিছু খেয়েছে। ওরা ভোট চুরি করেছে, টাকা চুরি করেছে। এই সরকারকে দেশের মানুষ আর চায় না।’

মাহমুদুর রহমান মান্নার সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় অন্যদের মধ্যে কল্যাণ পার্টির সভাপতি সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহিম, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিলারা চৌধুরী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আসিফ নজরুল বক্তব্য দেন।



মন্তব্য