kalerkantho


পল্লবীতে যুবকের লাশ

রাজধানীতে তিনজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

২ সেপ্টেম্বর, ২০১৮ ০০:০০



রাজধানীর পল্লবীতে সাইফুল ইসলাম নামের এক যুবকের মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার সকালে বারণটেক এলাকা থেকে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়। সাইফুল শেরপুর সদরের জহিরুল ইসলামের ছেলে। পল্লবী থানার ওসি (তদন্ত) মঈনুল কবির জানান, সাইফুলের শরীরে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। পুলিশ তাঁর মৃত্যুর কারণ জানার চেষ্টা করছে।

এদিকে গতকাল ও গত শুক্রবার পৃথক ঘটনায় তিনজনের অস্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে। নিহতরা হলো রনি (৩০), আইভি আক্তার (১৮) ও আমানউল্লাহ আমান (১১)।

জানা গেছে, গতকাল সকাল ১০টার দিকে শনির আখড়া ফ্লাইওভারের ওপর বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে রনির মৃত্যু হয়। পথচারী হানিফ জানান, রনি ফ্লাইওভারের ওপর মই দিয়ে বিদ্যুতের কাজ করছিলেন। হঠাৎ বিকট শব্দে বিস্ফোরণ হলে রনি মই থেকে নিচে পড়ে যান। পরে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।

মোবাইল ফোনে রনির স্ত্রী তানিয়া আক্তার জানান, রনির গ্রামের বাড়ি শরীয়তপুরে। বাবার নাম তোবারক হোসেন। পরিবার নিয়ে তিনি নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে থেকে ইন্টারনেট লাইনের কাজ করতেন।

এ ঘটনার ঘণ্টাখানেক পর গেণ্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশে একটি বিদ্যুতের খুঁটির সঙ্গে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে পঞ্চম শ্রেণির ছাত্র আমানউল্লাহ আমান মারা যায়। গেণ্ডারিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ছাত্র জাহাঙ্গীর আলম ও ইমন ইসলাম জানায়, আমানউল্লাহ স্কুলের সামনের রাস্তায় একটি গ্যাসের পাইপে বসা ছিল। পাশের একটি বিদ্যুতের খুঁটি ধরলে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে সে অচেতন হয়ে পড়ে। দ্রুত হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

আমানউল্লাহর খালু আব্দুল খালেক জানান, আমান সূত্রাপুরে মা মুনিয়া আক্তারের সঙ্গে থাকত। তার মা সেলাইয়ের কাজ করেন। তার বাবা বাদল আহমেদ মারা গেছেন।

তা ছাড়া গত শুক্রবার রাতে মহাখালী দক্ষিণপাড়ার একটি বাসায় পোশাক শ্রমিক আইভি আক্তার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেন। আইভি রংপুরের পীরগাছা উপজেলার দুইআনি গ্রামের আইয়ুব আলীর মেয়ে। পরিবারের সঙ্গে মহাখালী দক্ষিণপাড়ার একটি টিনশেড বাসায় ভাড়া থাকতেন তিনি।

আইভির বোন আইরিন জানান, তেজগাঁও এলাকায় একটি গার্মেন্টে চাকরি করতেন আইভি। গত শুক্রবার রাতে বাসায় ফিরে নিজের কক্ষে গলায় ফাঁস দেন তিনি। তবে তাঁর আত্মহত্যার কারণ জানাতে পারেনি কেউ।

 



মন্তব্য