kalerkantho


পানিতে ডুবে সাত শিশুর মৃত্যু

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৩ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



শেরপুরে শ্রীবরদীতে বিলের পানিতে ডুবে একই সঙ্গে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। পাবনার সাঁথিয়ায় পুকুরে পড়ে মারা গেছে যমজ দুই ভাই। এ ছাড়া রংপুরের বদরগঞ্জ ও পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পানিতে ডুবে আরো দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ব্যাপারে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো খবর :

শেরপুর : শ্রীবরদীর ভেলুয়া ইউনিয়নের কাউনের চর গ্রামের বাড়ির পাশে কাউনের বিলে খেলার সময় পানিতে ডুবে তিন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত বুধবার বিকেলে নিখোঁজের সাত ঘণ্টা পর রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তিন শিশুর লাশ উদ্ধার হয়। শিশুরা হলো ওই এলাকার ফকির আলীর ছেলে নুর মোহাম্মদ (৭), শুকুর আলীর ছেলে মোহাম্মদ আলী (৭) ও ছোরহাব আলীর ছেলে রিয়াদ মিয়া (৬)। শ্রীবরদী থানার ওসি রেজাউল হক জানান, বুধবার বিকেলে ভেলুয়ার কাউনের চর বিলের ধারে তিন শিশু খেলতে যায়। এ সময় আকস্মিকভাবে তিন শিশু বিলের পানিতে পড়ে নিখোঁজ হয়। সন্ধ্যার পরও শিশুরা বাড়ি ফিরে না আসায় পরিবারের লোকজন তাদের খুঁজতে বের হলে বিলের পানিতে শিশু নূর মোহাম্মদের লাশ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পেয়ে স্থানীয়রা উদ্ধার করে। বিলে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও অন্য দুই শিশুর কোনো খোঁজ না পেয়ে শেরপুর ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। পরে তারা বিলের পানি থেকে মোহাম্মদ আলী ও রিয়াদ মিয়ার লাশ উদ্ধার করে।

পাবনা (আঞ্চলিক) : পাবনার সাঁথিয়ার নন্দনপুর ইউনিয়নের বোয়াইলমারী গ্রামে যমজ দুই ভাই আহাদ ও সামাদ (আড়াই বছর) পানিতে ডুবে মারা গেছে। তারা ওই গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। গতকাল বৃহস্পতিবার সবার অজান্তে শিশু দুটি খেলতে খেলতে বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। দুপুর ১২টার দিকে তাদের লাশ পানিতে ভাসতে দেখে উদ্ধার করা হয়।

রংপুর (আঞ্চলিক) : বদরগঞ্জে বন্ধুদের সঙ্গে যমুনাশ্বরী নদীর মুন্সিপাড়া এলাকায় গতকাল বৃহস্পতিবার দুপুরে গোসল করতে নেমে আল আমিন নামের এক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। রংপুর থেকে ডুবুরিরা এসে ঘটনার সাড়ে তিন ঘণ্টা পর আল আমিনকে পানির নিচ থেকে উদ্ধার করেন। আল আমিন উপজেলার ওয়ারেছিয়া দাখিল মাদরাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্র। সে পৌর শহরের বালুয়াভাটা প্রফেসরপাড়ার আবু হানিফের ছেলে।

কলাপাড়া (পটুয়াখালী) : কলাপাড়ার মিঠাগঞ্জ ইউনিয়নের মধুপাড়া গ্রামে গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে পুকুরের পানিতে ডুবে তিন বছরের শিশু আব্দুল্লাহ মারা গেছে। আব্দুল্লাহ মধুপাড়া গ্রামের মো. রফিক হাওলাদারের ছেলে।



মন্তব্য