kalerkantho


সংবাদ সম্মেলনে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী

মুক্তিযোদ্ধা কোটা পরিবর্তনের সুযোগ নেই

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১২ জুলাই, ২০১৮ ০০:০০



সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হস্তক্ষেপ করার কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। উচ্চ আদালতের রায় অনুযায়ী এ কোটা রাখতেই হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।

গতকাল বুধবার সচিবালয়ে তথ্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। ‘চাকরিতে মুক্তিযোদ্ধা কোটা সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সাম্প্রতিক কার্যক্রম’ বিষয়ে এ সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হাত দিতে হলে সরকারকে আগে ওই রায়ের বিরুদ্ধে রিভিউ করে রায় পক্ষে পেতে হবে। আপিল বিভাগের এক আদেশে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় যোগ্য প্রার্থী পাওয়া না গেলে মেধা কোটা থেকে তা পূরণ করার সুযোগ দেওয়া হলেও ৩০ শতাংশ কোটা সংরক্ষণের বাধ্যবাধকতা রয়ে গেছে। তাই এ আদেশ অগ্রাহ্য করে বা পাশ কাটিয়ে বা উপেক্ষা করে ভিন্ন কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এটা করা হলে আদালত অবমাননার শামিল হবে বলে আমি মনে করি।’

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী বলেন, মুক্তিযোদ্ধা কোটার ক্ষেত্রে আইনগত বাধ্যবাধকতা থাকায় আদালতের আদেশে যতক্ষণ না পরিবর্তন আসছে ততক্ষণ এর ব্যত্যয় ঘটানোর সুযোগ নেই। সরকার আপিল বিভাগে রিভিউ পিটিশন করলে আদালত যদি রায় দেন, তবেই পারবে। এই আদেশ বহাল থাকা পর্যন্ত মুক্তিযোদ্ধা কোটা পরিবর্তনের কোনো সুযোগ নেই।

আদালতের রায়ের কপি কোটা পর্যালোচনা কমিটির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে জানিয়ে মোজাম্মেল হক বলেন, সরকারের ওই কমিটি ‘সচেতনতার সঙ্গে’ সিদ্ধান্ত নেবে বলে তাঁরা আশা করছেন। তবে কোটা পর্যালোচনা কমিটি মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাদে অন্য কোটায় পরির্বতন আনার সুপারিশ করতে পারবে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরো বলেন, ‘মুক্তিযোদ্ধা কোটা নিয়ে যারা উদ্বিগ্ন, তাদের আশ্বস্ত করে বলতে চাই, এ সরকার যেহেতু আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল এবং মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী, তাই আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় হস্তক্ষেপ করা হবে না এবং মুক্তিযোদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা পরিবার বা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী জনগণের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ আছে বলে আমি মনে করি না।’



মন্তব্য