kalerkantho


রাজাপুর স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স

নৈশপ্রহরীর ধর্ষণচেষ্টা রোগীর স্বজনকে

ঝালকাঠি প্রতিনিধি   

২৩ জুন, ২০১৮ ০০:০০



ঝালকাঠির রাজাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে শিশুরোগীর মাকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগ পাওয়া গেছে নৈশপ্রহরীর বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত মোস্তাফিজুর রহমান ওরফে সোহাগ মৃধা (৩৮) উপজেলার গোপালপুর গ্রামের আবদুল বারেক মৃধার ছেলে।

ওই নারী অভিযোগ করেন, বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১১টার দিকে তিনি দোকান থেকে পণ্য কিনে হাসপাতালে ফিরছিলেন। তখন হাসপাতালের একটি কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে ছিল নৈশপ্রহরী সোহাগ। সামনে দিয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ সোহাগ তাঁকে ধরে জোর করে কক্ষটিতে নিয়ে ধর্ষণের চেষ্টা চালায়। তিনি চিৎকার করলে সোহাগ তাঁকে ছেড়ে দেয়। রাতেই তাঁর আত্মীয় থানা থেকে পুলিশ নিয়ে হাসপাতালে যায়। তবে তাকে আটক করতে পারেনি পুলিশ।

ওই নারী বলেন, তাঁকে সোহাগের লোকজন হাসপাতাল ছাড়তে ও কোথাও অভিযোগ করলে দেখে নেওয়ার হুমকি দিচ্ছে।

জানা গেছে, অভিযুক্ত সোহাগ রাজাপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী র‌্যাবের সঙ্গে বন্দুকযুন্ধে নিহত আলম চেয়ারম্যান ও সবুজের একান্ত সহযোগী ছিল। সোহাগের বিরুদ্ধে ডাকাতি ও মাদকের একাধিক মামলা রয়েছে। সে হাসপাতালের একাধিক কক্ষ দখল করে নিয়মিত মাদকের আড্ডা বসায়।

উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. মাহবুবুর রহমান বলেন, ঘটনার সত্যতা পাওয়া গেলে সোহাগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রাজাপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. ফিরোজ আলম বলেন, ‘ঘটনা শুনে রাতেই হাসপাতালে গিয়েছি। তবে অভিযুক্ত সোহাগকে পাইনি। ওই নারীকে থানায় লিখিত অভিযোগ করতে বলেছি। দুপুর (শুক্রবার) পর্যন্ত তিনি অভিযোগ করেননি। অভিযোগ পেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

লোহাগড়ায় পালিয়ে বেড়াচ্ছে ভুক্তভোগীরা

নড়াইল প্রতিনিধি জানান, লোহাগড়া পৌর এলাকায় পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল শুক্রবার সকালে সন্ত্রাসীরা নড়াইল সদর হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসাধীন শিশুটির পরিবারকে ঘটনাটি চেপে যেতে বলে। থানায় অভিযোগ না করতে হুমকি দেয়। ভয়ে পরিবারটি নড়াইল সদর থানায় যায়। কিন্তু সদর থানা ঘটনা তাদের এলাকায় না হওয়ার কারণ দেখিয়ে অভিযোগ নেয়নি। পরে পরিবারটি শিশুটিকে নিয়ে হাসপাতাল ছেড়ে চলে যায়। এদিকে গত বৃহস্পতিবার ঘটনার পর রাত থেকে ধর্ষণে অভিযুক্ত মিরাজ পলাতক।

শিশুটির স্বজনরা জানায়, বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লোহাগড়ার মশাগুনি এলাকায় শিশুটি মিরাজের দোকানে আইসক্রিম কিনতে যায়। দোকান বন্ধ দেখে সে দোকান লাগোয়া মিরাজের বাসায় তাকে ডাকতে যায়। মিরাজ তার বাসায় আইসক্রিম আছে বলে শিশুটিকে ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করে। তখন বাসায় মিরাজের স্ত্রীসহ অন্যরা ছিল না। পরে পরিবারের লোকজন মিরাজের বাসা থেকে অসুস্থ শিশুটিকে উদ্ধার করে রাতে লোহাগড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। অবস্থার অবনতি হলে শিশুটিকে নড়াইল সদর হাসপতালে নেওয়া হয়। নড়াইল সদর থানার ওসি আনোয়ার হোসেন বলেন, ঘটনাটি তিনি জানেন না। তাঁর কাছে এলে তিনি একটা ব্যবস্থা করতেন।

গতকাল বিকেলে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত শিশুটির পরিবার লোহাগড়া থানায় মামলা করতে পারেনি।



মন্তব্য