kalerkantho


মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল

টগি ওয়ার্ল্ড হাতের লেখা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ মে, ২০১৮ ০০:০০



টগি ওয়ার্ল্ড হাতের লেখা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ

রাজধানীর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলে টগি ওয়ার্ল্ড হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় গতকাল অতিথিদের সঙ্গে বিজয়ীরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

শিশুদের সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতা ‘টগি ওয়ার্ল্ড লেখার লড়াই’-এর মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের বিজয়ী শিক্ষার্থীদের হাতে গতকাল বুধবার পুরস্কার তুলে দেওয়া হয়েছে। এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছে রাজধানীর অন্যতম শিশু বিনোদন কেন্দ্র ইনডোর থিম পার্ক টগি ওয়ার্ল্ড। প্রথম শ্রেণি থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত দুটি গ্রুপে বিভক্ত প্রতিযোগীদের মধ্য থেকে গতকাল ৪০ জন শিক্ষার্থীকে পুরস্কৃত করা হয়।

শিশুদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভাইস প্রিন্সিপাল আলেয়া ফেরদৌস ও রওশন আরা বেগম, বসুন্ধরা সিটি ডেভেলপমেন্টের জিএম (ব্র্যান্ড অ্যান্ড মার্কেটিং) আসিফ ফেরদৌস, বিসিডিএলের জিএম, ব্র্যান্ডিং অ্যান্ড মার্কেটিং, টগি ওয়ার্ল্ডের ইনচার্জ হানিফ হাকিম প্রমুখ। 

স্কুলভিত্তিক দুটি গ্রুপের প্রতিটি থেকে প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অর্জনকারীদের (সর্বমোট ছয়জন) পুরস্কার হিসেবে নগদ অর্থ প্রদানসহ টগি ওয়ার্ল্ডে যেকোনো দিন আনলিমিটেড এন্ট্রি ও রাইড সম্পূর্ণ ফ্রি দেওয়া হয়েছে। আর চতুর্থ থেকে বিশতম স্থান অর্জনকারীদের জন্য রয়েছে ৫০ শতাংশ ছাড়ের ব্যবস্থা।

সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতায় প্রথম ও দ্বিতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ছিল ‘পারফেক্ট’ গ্রুপে। আর তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা ছিল ‘চ্যালেঞ্জার’ গ্রুপে। মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুলে পারফেক্ট গ্রুপে প্রথম স্থান অধিকার করে প্রথম শ্রেণির জুহায়ের ইশরাক। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করে দ্বিতীয় শ্রেণির ওয়াজিহা জাহান আরিশা ও তৃতীয় স্থান লাভ করে প্রথম শ্রেণির নওরিন। ‘চ্যালেঞ্জার’ গ্রুপে প্রথম স্থান লাভ করে পঞ্চম শ্রেণির জান্নাতুল আফরিন, দ্বিতীয় হয় একই শ্রেণির সারাহ্্ জেরীন ও তৃতীয় হয় চতুর্থ শ্রেণির খন্দকার মাইশা।

বিসিডিএলের জিএম আসিফ ফেরদৌস বলেন, ‘আমাদের শিশুরা বর্তমানে কম্পিউটার, ল্যাপটপ, মোবাইল ফোন নিয়ে ব্যস্ত থাকে। হাতের লেখা সুন্দর করার দিকে কারো নজর নেই। তাই এই প্রতিযোগিতার মাধ্যমে হাতের লেখার প্রতি শিশুদের উৎসাহিত করাই ছিল মূল লক্ষ্য। আমরা চাই ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সুন্দর হাতের লেখার ঐতিহ্য ধরে রাখুক।’

টগি ওয়ার্ল্ডয়ের ইনচার্জ হানিফ হাকিম বলেন, ‘রাজধানীতে শিশুদের খেলার মাঠ নেই। ঘোরার জায়গাও খুব কম। তাই টগি ওয়ার্ল্ডে শিশুদের বিনোদন দিতে রয়েছে নানা আয়োজন। শিশুদের খুশিকে ফিরিয়ে আনতে আকর্ষণীয় ও দৃষ্টিনন্দন করে সাজানো হয়েছে এই থিম পার্ক।’

শিশুদের হাতের লেখার মতো ব্যতিক্রমী একটি প্রতিযোগিতার আয়োজন করায় বসুন্ধরা গ্রুপ ও টগি ওয়ার্ল্ডকে ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান মোহাম্মদপুর প্রিপারেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই ভাইস প্রিন্সিপাল।



মন্তব্য