kalerkantho


আর্থিক সহায়তা বাঁচাতে পারে চামেলীকে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



আর্থিক সহায়তা বাঁচাতে পারে চামেলীকে

রিহাম আফসানা চামেলী। নোয়াখালী বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের অনার্স দ্বিতীয় বর্ষের মেধাবী ছাত্রী ছিল। মেধা-স্বপ্ন নিয়ে এগিয়ে চলা এই ছাত্রী এখন বিছানায়। প্রায় ৩০ মাস ধরে সে লড়ই করছে মৃত্যুর সঙ্গে।

এখন তার সব চলা থেমে গেছে। ভুবনের আলো দেখে উদ্দীপ্ত হওয়া তার দুই চোখে এখন কিছুুই দেখে না। অসাড় শরীর চলতে পারে না।

২০১৫ সালের ২ সেপ্টেম্বর নোয়াখালীর কবিরহাট-বসুরহাট সড়কে সিএনজি অটোরিকশা ও বাসের বেপরোয়া প্রতিযোগিতায় চামেলীর জীবন এমন হয়ে গেছে। চিকিৎসকরা বলছেন, চোখের আলো ফিরিয়ে আনতে দরকার কমপক্ষে ৪০ লাখ টাকা।

চামেলীর বাবা ভিটেমাটি, দোকানঘর বেচে দিয়েছেন মেয়েটিকে বাঁচিয়ে তুলতে। তাঁর আয়-রোজগারের পথও বন্ধ। মা-বাবাকেও যে এখনো মেয়ের পাশেই বসে থাকতে হয়!

চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিবিড় পরিচর্যায় ২১ মাস থাকতে হয়েছে। নাকে নল দিয়ে খাবার ও ওষুধ খেতে হয়েছে। অক্সিজেন ছিল টানা ২১ দিনের সঙ্গী। হাসপাতালে শয্যায় পড়ে থাকতে হয়েছে বাবা ও মাকে। চট্টগ্রাম হাসপাতাল থেকে সাভারের সিআরপিতে ভর্তি করা হয়েছিল। এর পরও সারেনি মেয়ের অসুস্থতা।

রোগশয্যায় শুয়ে মেয়ের কান্না অনুভব করেন তার বাবা মিজানুর রহমান, মা জিন্নাতুননেছা। বাবা মিজানুরের চোখ ছলছল—মেয়েকে সারিয়ে তুলতে পারবেন তো? এখন চামেলী সাভারের বেলা স্পেশাল থেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারে রয়েছে। রিহাম আফসানাকে সারিয়ে তুলছে তার বাবা বিক্রি করেছেন আয়ের একমাত্র উৎস দোকান, বাড়ি। এখন মেয়ের সুচিকিৎসার জন্য প্রয়োজন অর্থের।

চিকিৎসকরা বলেছেন, বিদেশে পাঠালে মেয়েটি তার জীবনের অসাড়ত্ব ঘুচাতে পারবে। বাবা মিজানুর রহমান জানান, সড়ক দুর্ঘটনায় মেয়ে চামেলী থুঁতনি, দাঁত, বাঁ হাত ও মাথায় আঘাত পেয়েছিল। শরীর অবশ হয়ে আছে। চোখে দেখতে পায় না। প্রতি মাসে কমপক্ষে মেয়ের সাধারণ চিকিৎসা খরচ দিতে হচ্ছে ২৫ হাজার টাকা। মেয়েকে সারিয়ে তুলতে হলে চিকিৎসা সহায়তার জন্য সমাজের সহৃদয় ব্যক্তিদের সহায়তা চেয়েছেন মিজানুর রহমান। সহায়তা পাঠানোর ঠিকানা—মিজানুর রহমান, ডাচ্-বাংলা ব্যাংক বসুরহাট শাখা, অ্যাকাউন্ট নম্বর : ১৬৬১১০৮৬০৫। বিকাশ-পার্সোনাল নম্বর : ০১৮৩৩৫৭৭২৫৪।



মন্তব্য