kalerkantho


সৌদিতে সামরিক মহড়া দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

কালের কণ্ঠ ডেস্ক   

১৭ এপ্রিল, ২০১৮ ০০:০০



সৌদিতে সামরিক মহড়া দেখলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সৌদি আরবে যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন করেন। ছবি : বাসস

সৌদি আরবে গতকাল সোমবার এক যৌথ সামরিক মহড়ার সমাপনী কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠানে অংশ নিলেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। লন্ডনে কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকে যোগ দিতে স্থানীয় সময় গতকাল বিকেলেই লন্ডনের উদ্দেশে তাঁর সৌদি ত্যাগ করার কথা।

সৌদির পূর্বাঞ্চলীয় প্রদেশ আল-জুবাইলে ‘গালফ শিল্ড-১’ শীর্ষক ওই কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়। সৌদি আরবের বাদশা সালমান বিন আবদুল আজিজ আল সৌদের আমন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রী ওই অনুষ্ঠানে যোগ দেন। অনুষ্ঠানস্থলে পৌঁছার পর শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান সৌদি বাদশাহ। কুচকাওয়াজে বাংলাদেশসহ ২৪টি দেশের সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।

উপসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তি রক্ষায় বন্ধু দেশগুলোর প্রতিরক্ষা সমন্বয় ও সহযোগিতায় সৌদি আরব মাসব্যাপী এ সামরিক মহড়ার আয়োজন করে। বাদশাহ সালমান বন্ধু দেশগুলোর বেশ কয়েকজন নেতাকে নিয়ে মাসব্যাপী অনুষ্ঠিত এই সামরিক মহড়ার সমাপনী অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেন।

সামরিক মহড়ার মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আবদুল্লাহ আল সুবাইয়ে জানিয়েছেন, ২৪টি দেশের সেনা, নৌ ও বিমানবাহিনীর অংশগ্রহণে সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এই মহড়ার আয়োজন করে। এ মহড়ায় যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, সংযুক্ত আরব আমিরাত, সৌদি আরব, বাংলাদেশ, বাহরাইন, কাতার, কুয়েত, মিসর, জর্দান, সুদান, মৌরিতানিয়া, মালয়েশিয়া, পাকিস্তান, শাদ, জিবুতি, নাইজার, কমরোস, আফগানিস্তান, ওমান, গায়ানা, তুরস্ক ও বুরকিনাফেসো যোগ দিয়েছে।

গত ১৮ মার্চ এই মহড়া শুরু হয়। এতে বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর ১৮ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল অংশ নিচ্ছে। বিশ্লেষকরা অংশগ্রহণকারী দেশের সংখ্যা ও এতে ব্যবহৃত অস্ত্রের গুণগত মানের নিরিখে এটিকে এই অঞ্চলের সবচেয়ে বৃহত্তম সামরিক মহড়া হিসেবে গণ্য করছেন।

মুখপাত্র বলেন, এই অঞ্চলের নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতায় হুমকি সৃষ্টি করতে পারে এমন বৈরী কর্মকাণ্ড প্রতিরোধে যৌথ সামরিক যুদ্ধাভিযান পরিকল্পনার ধারণা কার্যকর করা হচ্ছে এই মহড়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

এদিকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গতকাল সৌদি আরব থেকে যুক্তরাজ্যের উদ্দেশে রওনা হন। প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সফরসঙ্গীদের বহনকারী সৌদি সরকারের একটি বিশেষ বিমান স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৬টা ৫০ মিনিটে (বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৫০ মিনিট) বাদশাহ আবদুল আজিজ বিমান ঘাঁটি ত্যাগ করে। সৌদি আরবে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত গোলাম মসীহ এবং বাংলাদেশ দূতাবাসের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান। গতকাল রাতেই লন্ডনে পৌঁছানোর কথা প্রধানমন্ত্রীর। সূত্র : বাসস।



মন্তব্য