kalerkantho


বসুন্ধরা খাতা এমজিবিএসডিসি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৯ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



বসুন্ধরা খাতা এমজিবিএসডিসি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা শুরু

রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে গতকাল চার দিনব্যাপী বসুন্ধরা খাতা-এমজিবিএসডিসি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতার উদ্বোধন করা হয়। ছবি : কালের কণ্ঠ

রাজধানীর মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ে চার দিনব্যাপী বসুন্ধরা খাতা-এমজিবিএসডিসি জাতীয় বিতর্ক প্রতিযোগিতা ও কর্মশালা-২০১৮ শুরু হয়েছে। বিদ্যালয়ের অডিটরিয়ামে গতকাল বৃহস্পতিবার আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হওয়া উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন ঢাকা মেডিক্যাল কলেজের বার্ন ইউনিটের প্রতিষ্ঠাতা ডা. সামন্ত লাল সেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ হাফিজুল ইসলাম। অনুষ্ঠানটির স্পন্সর বসুন্ধরা খাতা। আর মিডিয়া পার্টনার দৈনিক কালের কণ্ঠ। বিতর্ক প্রতিযোগিতার প্রথম দিনে মডারেটর ছিলেন আফরোজা বানু। বিতর্কের এবারের প্রতিপাদ্য ‘বিপন্ন উদারবাদ, উদ্বাস্তু মানবতা’।

অনুষ্ঠানে ডা. সামন্ত লাল সেন বলেন, ‘বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন নিঃসন্দেহে একটি ভালো উদ্যোগ। আমাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে যে পরিমাণ বিতর্ক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে, তা আরো বাড়ানো উচিত। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের নানামুখী জ্ঞানের প্রসার ঘটে।’

মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক হাফিজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানের ডিবেট ক্লাব থেকে প্রতিবছর স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়ে থাকে। এবার চার দিনব্যাপী বিতর্ক প্রতিযোগিতায় স্পন্সর হিসেবে এগিয়ে এসেছে বসুন্ধরা খাতা। আমরা প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে বসুন্ধরা খাতা কর্তৃপক্ষকে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানাই।’

বসুন্ধরা গ্রুপের পক্ষে ম্যানেজার (পেপার প্রডাক্টস) ইয়াসির খান মোহাম্মদ বলেন, ‘এ ধরনের অনুষ্ঠানে স্পন্সর হিসেবে থাকতে পেরে আমরা আনন্দিত। বিতর্ক প্রতিযোগিতা নিয়ে আমাদের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা রয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রতিভাবান বির্তাকিকদের উৎসাহ দিতে কাজ করছি। দেশের অন্যতম বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান বসুন্ধরা গ্রুপ মানুষের কল্যাণে কাজ করে থাকে। দেশের শিক্ষার ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখতে আমাদের এই উদ্যাগ।’

আয়োজকরা জানান, এ পর্যায়ে ঢাকা ও ঢাকার বাইরের জেলাসহ স্কুল পর্যায়ে মোট ৩২টি দল অংশ নিয়েছে। এ ছাড়া আন্ত কলেজ পর্যায়ে ২৪টি দল আর আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে ১৬টি দল অংশগ্রহণ করেছে। স্কুল পর্যায়ে চারটি দলকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হবে। এ ছাড়া আন্ত কলেজ ও আন্ত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে দুটি করে দলকে বিজয়ী হিসেবে পুরস্কার দেওয়া হবে। চূড়ান্ত বিজয়ীদের মধ্যে এই পুরস্কার আগামী ১১ মার্চ স্কুলের অডিটরিয়ামে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রদান করা হবে।

 


মন্তব্য