kalerkantho


২২ মার্চ মধ্যম আয়ের দেশের ঘোষণা : মুহিত

এসিআইয়ের ২৫ বছর পূর্তি উদ্‌যাপন

নিজস্ব প্রতিবেদক   

৪ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



২২ মার্চ মধ্যম আয়ের দেশের ঘোষণা : মুহিত

রাজধানীর একটি হোটেলে গতকাল এসিআই গ্রুপের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিতসহ অন্যরা। ছবি : কালের কণ্ঠ

আগামী ২২ মার্চ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে মধ্যম আয়ের দেশে উন্নীত হওয়ার ঘোষণা আসবে বলে জানালেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত। গতকাল রাতে এসিআই গ্রুপের ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে র‌্যাডিসন হোটেলে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার রফিকুল হক, অধ্যাপক জামিলুর রেজা চৌধুরী, ট্রান্সকম গ্রুপের চেয়ারম্যান লতিফুর রহমান, এপেক্স গ্রুপের চেয়ারম্যান সৈয়দ মঞ্জুর এলাহী, স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তপন চৌধুরীসহ এসিআই গ্রুপের বিভিন্ন পরিচালক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা উন্নয়নশীল দেশের তালিকা থেকে বের হতে যাচ্ছি। ঘোষণাটা ২২ তরিখ আসতে পারে। আমরা ইতিমধ্যেই মধ্যম আয়ের দেশের যে যোগ্যতা সেটা অর্জন করেছি। যদিও জাতিসংঘের কাছ থেকে সর্বশেষ অনুমোদন দেওয়া হবে ২০২৪ সালে। কারণ আমাদের এ অবস্থাটা ওই সময় পর্যন্ত ধরে রাখতে হবে।’ আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, ‘শুধু এসিআই নয়, অনেক কম্পানিই রয়েছে যারা দেশকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে। এদের নিয়েই আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। কারণ এরাই অনেক ভালো কিছু করছে দেশের জন্য, দেশের মানুষের জন্য।’

এসিআইয়ের পণ্যের প্রশংসা করে অর্থমন্ত্রী বলেন, “২৫ বছর আগে বা তারও কিছু আগে এ দেশ থেকে চলে গেছে আইসিআই। আমি তখন থেকেই একটি প্রডাক্ট ‘মসকুইটো কিলারের’ ক্রেতা ছিলাম। ২৫ বছর আগে এসিআই শুরু করার পর থেকে এখনো আছি। কারণ তাদের প্রডাক্টের মানটা ঠিকঠাক রয়েছে এখনো। প্রতিষ্ঠানটি নতুন নতুন একেকটা কাজ করেই যাচ্ছে।” এ ছাড়া কৃষিতে নতুন নতুন প্রযুক্তি, বীজসহ অন্যান্য পণ্যেরও প্রশংসা করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে এসিআই গ্রুপের চেয়ারম্যান এম আনিস উদ দৌলা বলেন, ‘এসিআইয়ের বৈশিষ্ট্যই হচ্ছে মান ও সততা। এটা সব সময়ই থাকবে। আমরা ধীরে ধীরে দীর্ঘ সময়টা পার করেছি। কিন্তু এসিআই সব সময়ই মানুষের জীবনমান উন্নয়নে কাজ করে যাচ্ছে সেবা ও পণ্যের মাধ্যমে। ’

এ সময় তিনি তাঁর ব্যাবসায়িক জীবন শুরুর আগের অভিজ্ঞতার কথা বর্ণনা করেন। যেখানে ব্যবসার আগে দীর্ঘ ৩২ বছর বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করে ব্যবসায়িক দক্ষতা অর্জন করেছেন বলে তুলে ধরেন।

এসিআই গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. আরিফ দৌলা বলেন, ‘আমরা যখন যেখানে ঠিক যে প্রযুক্তিটি দরকার সেটাই ব্যবহার করেছি ও করছি। হাঁস-মুরগির বার্ড ফ্লুর ভ্যাকসিনে এসিআই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে, যা কি না অটোমেটিক মেশিনের মাধ্যমেই দেওয়া হয়। স্বাস্থ্য খাতে এসিআই গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। শিশু জন্মের সময় ২৩ শতাংশ মৃত্যুহার কমাতে এবং ৬৮ শতাংশ ইনফেকশন কমাতে এসিআই ভ্যাকসিন নিয়ে কাজ করছে। যে ভ্যাকসিনটি এখন পর্যন্ত ৩.৭ মিলিয়ন (সাঁইত্রিশ লাখ) ডেলিভারির সময় ব্যবহার করা হয়েছে।’

কৃষিতে ফসল কাটার আধুনিক প্রযুক্তির উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘আমরা সঠিক সময়ে বিভিন্ন সমস্যায় ঠিকমতো ফসল কাটতে পারি না। ফলে অনেক ফসলের অপচয় হয়। এটা রোধে আমরা আধুনিক যন্ত্র নিয়ে এসেছি। আবার পুকুরে মাছ চাষের সময় এমন এক যন্ত্র ববহার করা হচ্ছে, যা কি না পুরোপুটি অটোমেটেড। মাছের যখন ক্ষুধা লাগে এই মেশিন থেকে অটোমেটিক্যালি খাদ্য পানিতে পড়তে থাকে।’

 


মন্তব্য