kalerkantho


ফেনীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর গলা কাটা লাশ, এক যুবক আটক

ফেনী প্রতিনিধি   

২ মার্চ, ২০১৮ ০০:০০



ফেনীতে এসএসসি পরীক্ষার্থীর গলা কাটা লাশ, এক যুবক আটক

ফেনীতে শিরিন সুলতানা রত্না (১৭) নামে এক এসএসসি পরীক্ষার্থীর গলা কাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শহরের শহীদ সেলিনা পারভীন সড়কের আনোয়ার উল্যাহ বাইলেনের একটি বাসা থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পুলিশ বিপ্লব নামের এক যুবককে আটক করেছে। ঘটনাস্থল থেকে একটি রক্তমাখা ধারালো ছুরি উদ্ধার করে পুলিশ।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, গতকাল বিকেলে নিহত রত্নার মা সালমা আক্তার পাশের বাসায় যান। সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে তিনি বাসায় ফিরে বিছানার ওপর মেয়ের রক্তাক্ত লাশ দেখে চিৎকার করে কেঁদে ওঠেন। এরপর স্থানীয় লোকজন পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য হাসপাতালে পাঠায়। নিহত রত্না ফেনী পৌর বালিকা বিদ্যানিকেতন থেকে এবার এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। তার বাবা আনিসুল হক সৌদি আরবপ্রবাসী। দুই বোনের মধ্যে রত্না ছোট। তারা ফেনী সদর উপজেলার ফরহাদ নগর ইউনিয়নের কাটা মোকারক ঘোনা গ্রামের মাহবুব সওদাগর বাড়ির বাসিন্দা। ঘটনার পর একাধিক প্রতিবেশীর সঙ্গে কথা বলে তেমন কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। প্রতিবেশী ফয়জুল হক বাপ্পি বলেন, এলাকায় নির্বিরোধী পরিবার হিসেবে রত্নারা পরিচিত। কারা কী কারণে নির্মমভাবে মেয়েটিকে হত্যা করেছে তা কেউ বুঝতে পারছে না।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়জন প্রতিবেশী জানায়, ঘটনার পর এক যুবককে ওই বাসার বাইরে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে। পরে পুলিশ তাকে আটক করে। বিষয়টি প্রেম-ভালোবাসাসংক্রান্ত কোনো ঘটনা হতে পারে বলে তাদের ধারণা। আটক বিপ্লব মাঝে মাঝে ওই এলাকায় আসত বলেও জানায় তারা। ফেনী সদর হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা ডা. অসীম কুমার সাহা বলেন, ধারালো অস্ত্র দিয়ে মেয়েটিকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে।

ফেনী মডেল থানার ওসি মো. রাশেদ খান চৌধুরী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পুলিশ বিষয়টি তদন্ত করছে। এলাকাবাসীর সহায়তায় বিপ্লব নামে এক যুবককে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। আটক বিপ্লবের জামায় রক্তের দাগ পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে প্রেমঘটিত বিরোধের জেরে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


মন্তব্য