kalerkantho


স্বরূপকাঠিতে সেপটিক ট্যাংকে নিখোঁজ চালকের বস্তাবন্দি লাশ

পিরোজপুর প্রতিনিধি   

১৫ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



পিরোজপুরের স্বরূপকাঠিতে নিখোঁজের চার দিন পর সেপটিক ট্যাংকে মিলেছে মোটরসাইকেলচালক মোহাম্মদ মিলনের বস্তাবন্দি লাশ। খবর পেয়ে পুলিশ গতকাল বুধবার সকালে সোহাগদল গ্রামের মোহাম্মদ সিদ্দিকুর রহমানের বাড়ির সেপটিক ট্যাংক থেকে অর্ধগলিত লাশটি উদ্ধার করে। মিলন রাজাবাড়ী গ্রামের মাংস বিক্রেতা শাহাদাৎ হোসেনের ছেলে ছিলেন। তিনি ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। এ ঘটনায় সিদ্দিকুরের স্ত্রী রেহেনা বেগম ও ছেলে তানজিমকে আটক করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তারা মিলনকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। 

পরিবার জানায়, গত শনিবার বিকেলে মোটরসাইকেল নিয়ে বাড়ি থেকে বের হন মিলন। পরে আর তিনি বাড়িতে ফেরেনি। এ বিষয়ে সোমবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। মঙ্গলবার সন্ধ্যায় মিলনের মোটরসাইকেলটি গোপনে বরিশাল পাঠিয়ে বাড়ি ফিরছিল রেহেনা। খবর পেয়ে তাকে আটক করে থানায় নেওয়া হয়।

নেছারাবাদ থানার ওসি (তদন্ত) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম বলেন, রেহানার দেওয়া তথ্য মতে তার ছেলে তানজিমকে মোটরসাইকেলসহ বরিশালের রূপাতলী থেকে আটক করে স্বরূপকাঠিতে আনা হয়।

নেছারাবাদ-কাউখালী সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার কাজী শাহ নেওয়াজ বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে মা-ছেলে তাঁদের জানায়, মোটরসাইকেল কেনাবেচা বিষয় নিয়ে মিলন তানজিমের বাড়িতে যান। সেখানে কথা-কাটাকাটির একপর্যায়ে তানজিম হাতুড়ি দিয়ে মিলনের মাথায় আঘাত করে মেরে ফেলে। পরে সে মোটরসাইকেলটি নিয়ে পালিয়ে যায়। অন্যদিকে রেহেনা আরো দুজনের সহযোগিতায় মিলনের লাশ বস্তায় ভরে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেয়।



মন্তব্য