kalerkantho


৬ মামলায় বিএনপির পাঁচ শতাধিক আসামি

শিমুল বিশ্বাস ও ছাত্রদল সভাপতিসহ ৩৯ জন রিমান্ডে

নিজস্ব ও আদালত প্রতিবেদক   

১০ ফেব্রুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া গত বৃহস্পতিবার আদালতে যাওয়ার পথে কাকরাইল ও চানখাঁরপুলে ‘সহিংসতা’র ঘটনায় পাঁচটি মামলা হয়েছে। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় একাধিক নেতাসহ পাঁচ শতাধিক নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। গতকাল শুক্রবার রমনা ও শাহবাগ থানায় পুলিশ বাদী হয়ে সরকারি কাজে বাধা, মারধর, অগ্নিসংযোগের অভিযোগে এসব মামলা করে।

এদিকে নয়াপল্টনে বৃহস্পতিবার বিকেলে খালেদার রায়ের প্রতিবাদে মিছিল-সংঘর্ষের ঘটনায় বিস্ফোরকদ্রব্য আইনে একটি মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। এসব মামলায় বৃহস্পতিবার থেকে গতকাল শুক্রবার পর্যন্ত ৬৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে। শাহবাগ থানায় দায়ের করা একটি মামলায় গতকাল বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে পাঁচ দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন ঢাকার মহানগর হাকিম আদালত। পল্টন থানার মামলায় ছাত্রদল সভাপতি রাজীব আহসানকে পাঁচ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। এ ছাড়া শাহবাগ থানার মামলায় ২৪ জনের দুই দিনের এবং পল্টন থানার মামলায় ১৩ জনের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

রমনা থানার ওসি কাজী মাইনুল ইসলাম জানান, তাঁদের থানায় তিনটি মামলা হয়েছে। এতে ১৬০ জন এজাহারনামীয় আসামি রয়েছে। তাদের মধ্যে ১৮ জনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠানো হয়েছে।

শাহবাগ থানার ওসি আবুল হাসান জানান, একটি মামলায় ১০০ জন এবং অপর মামলায় ১০৮ জনকে আসামি করা হয়েছে।

শাহবাগ থানার নাশকতার একটি মামলায় শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাসকে গতকাল ঢাকার মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার এসআই মাহবুব আলম। আদালত পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। হাকিম সত্যব্রত শিকদার শাহবাগ থানার ওই মামলায় আরা ২৪ জনের দুই দিন করে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দেন। একই মামলায় গ্রেপ্তার বিএনপির আট নারী কর্মীকে কারাগারে পাঠিয়ে দেন বিচারক।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়ার রায়ের পর পুরান ঢাকার বকশীবাজারে স্থাপিত বিশেষ আদালত প্রাঙ্গণ থেকে শিমুল বিশ্বাসকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আদালত সূত্রে জানা গেছে, তাঁর বিরুদ্ধে ২০টি মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা রয়েছে।

এদিকে গতকাল রাজীব আহসানসহ পল্টনে গ্রেপ্তার ১৪ জনকে আদালতে হাজির করে ১০ দিন রিমান্ডের আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার এসআই আবদুল হান্নান। শুনানি শেষে ম্যাজিস্ট্রেট মাজহারুল ইসলাম ছাত্রদল সভাপতির পাঁচ দিন এবং অপর আসামিদের এক দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।



মন্তব্য