kalerkantho


জিয়ার জন্মবার্ষিকীর সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু

৮০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকেই ভোট দেবে : ফখরুল

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৯ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



আগামী নির্বাচন নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে হলে ৮০ শতাংশ মানুষ বিএনপিকেই ভোট দেবে বলে দাবি করেছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ৮২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনাসভায় তিনি এ কথা বলেন।

সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি মিলনায়তনে বিএনপি গতকাল বৃহস্পতিবার বিকেলে এ আলোচনাসভার আয়োজন করে। জিয়ার জন্মবার্ষিকী পালনে সপ্তাহব্যাপী কর্মসূচি শুরু হয়েছে এই আলোচনাসভার মধ্য দিয়ে।

বর্তমান সরকার ফ্যাসিবাদী আচরণ করছে অভিযোগ করে ফখরুল বলেন, ‘এই অচলায়তন ভেঙে ফেলতে হবে। আর আমরা কোনো মতেই এই গণতন্ত্রবিরোধী শক্তিকে ক্ষমতায় দেখতে চাই না। আসুন আমরা সংগঠিত হই। কখনো হতাশ না হই। আগামী দিনে এই ফ্যাসিস্ট সরকারকে অবশ্যই আমরা বাধ্য করতে পারব—এই বিশ্বাস আমাদের আছে।’

একাদশ নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বর্তমান সরকারকে পদত্যাগ করে নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে নির্বাচন নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘একটি নিরপেক্ষ নির্বাচন কমিশন গঠন করুন। শিগগিরই নির্বাচন দিন এবং জনগণের একটা সরকার প্রতিষ্ঠা করুন।’ তিনি বলেন, ‘সরকারকে বলব—আজকে একটা নিরপেক্ষ নির্বাচন দিয়ে দেখুন না। ৮০ শতাংশ মানুষ এই বিএনপিকে ভোট দেবে।’

প্রধান অতিথির বক্তব্যে দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন বলেন, ‘যেখানে আওয়ামী লীগ ব্যর্থ হয়েছে সেখানেই জিয়াউর রহমান সফল হয়েছেন। এ জন্যই তারা শহীদ জিয়াউর রহমান, তাঁর পরিবার এবং বিএনপিকে ভয় পায়। তারা আমাদের সভা-সমাবেশ করতে দেয় না।’

বিএনপিকে উন্মুক্ত স্থানে সভা-সমাবেশ করার অনুমতি না দেওয়ার অভিযোগ তুলে ক্ষোভ প্রকাশ করে স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, ‘তারা মনে করছে, এই বাঁধ চিরদিন থাকবে। আমাদের ঘরের মধ্যে রেখে দেবে। আমি বলতে চাই, এই বাঁধ ভাঙবে, এই বাঁধ ভেঙে দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা হবে, আবার দেশে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ফিরিয়ে আনা হবে।’

সভার সভাপতিত্বে ছিলেন মির্জা ফখরুল এবং পরিচালনা করেন প্রচার সম্পাদক শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি ও সহপ্রচার সম্পাদক আমিরুল ইসলাম খান আলীম। সভায় বক্তব্য দেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীন, শামসুজ্জামান দুদু, অধ্যাপক এ জে এম জাহিদ হোসেন, যুগ্ম মহাসচিব ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, খায়রুল কবীর খোকন এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক মাহবুবউল্লাহ।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার আমীনুল হক, আহমেদ আজম খান, হাবিব উন নবী খান সোহেল, মাসুদ আহমেদ তালুকদার, নুরী আরা সাফা, হেলেন জেরিন খান, শফিউল বারী বাবু, ব্যারিস্টার বদরুদ্দোজা বাদল, রফিকুল ইসলাম রাসেলসহ সহযোগী সংগঠনের নেতারা।



মন্তব্য