kalerkantho


স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটির সমাবর্তনে শিক্ষামন্ত্রী

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষাদানের পদ্ধতি উন্নত করতে হবে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৭ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষাদানের পদ্ধতি উন্নত করতে হবে

রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে গতকাল স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের তৃতীয় সমাবর্তন অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের সনদপত্র তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। ছবি : কালের কণ্ঠ

শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে জ্ঞানচর্চা, গবেষণা ও নতুন জ্ঞান সৃষ্টি করতে হবে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সৃষ্ট জ্ঞান জাতির মৌলিক ও বিশেষ সমস্যার সমাধান দিতে পারে। এ জন্য সে ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। শিক্ষার পরিবেশ ও গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য অব্যাহত প্রচেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। বিষয় বাছাই, শিক্ষাক্রম উন্নয়ন, শিক্ষাদানের পদ্ধতি উন্নত ও যুগোপযোগী করতে হবে।’ 

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশের তৃতীয় সমাবর্তনে সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। সমাবর্তনে এক হাজার ৭৭২ জন শিক্ষার্থীকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি প্রদান করা হয়। এর মধ্যে পাঁচজন চ্যান্সেলর পদক ও ১৯ জন ভাইস চ্যান্সেলর স্বর্ণপদক লাভ করে।   

সমাবর্তন বক্তা ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউজিসি চেয়ারম্যান প্রফেসর আবদুল মান্নান ও বাংলাদেশ বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় সমিতির নির্বাহী কমিটির সদস্য এ কে এম ইনামুল হক শামীম এমপি।

এ ছাড়া বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ফাতিনাজ ফিরোজ, উপাচার্য প্রফেসর মোহাম্মদ আল নকি প্রমুখ। অনুষ্ঠানের শুরুতে সদ্যঃপ্রয়াত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা উপাচার্য প্রফেসর ড. এম এ হান্নান ফিরোজের স্মরণে একটি ডকুমেন্টারি দেখানো হয়।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘কিছু বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এখনো তাদের ন্যূনতম শর্ত পূরণ করতে পারেনি। এভাবে তারা বেশিদিন চলতে পারবে না। তাদের বিরুদ্ধে অব্যাহত চাপ রেখেও সঠিক ধারায় আনা কঠিন হয়ে পড়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ ছাড়া তারা আর কোনো পথ খোলা রাখেনি।’

প্রফেসর ড. এ কে আজাদ চৌধুরী শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যে জ্ঞান অর্জন হয়েছে তা জীবনে পর্যাপ্ত নাও হতে পারে। জীবন চলার পথে আরো অনেক বাস্তব জ্ঞান অর্জন করতে হবে।’

প্রফেসর আবদুল মান্নান বলেন, ‘দেশে শতাধিক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও কিছুসংখ্যকের মধ্যে আইন না মানার প্রবণতা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া ছাড়া আর উপায় নেই। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উচিত আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে পরিচালনা করা।’



মন্তব্য