kalerkantho


চারঘাটে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৪

নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী   

১৬ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



চারঘাটে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষ, আহত ৪

রাজশাহীর চারঘাটে মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি মনোনয়নকে কেন্দ্র করে আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষে চারজন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার সকালে উপজেলার ইউসুফপুর ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে এ ঘটনা ঘটেছে।

এতে আহতরা হলেন ইউসুফপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি শফিউল আলম রতন, ২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি মোশাররফ হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকার ও ইউপি সদস্য মালেকের ছোট ভাই মোকলেছুর রহমান। তাঁদের রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্র ও আহতরা জানান, উপজেলার গোবিন্দপুর দাখিল মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয় শফিউল আলম রতনকে। তবে এর প্রতিবাদ করেন দুলাল সরকার। এ নিয়ে কয়েক দিন ধরেই উভয় পক্ষে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এরই জের ধরে গতকাল সকালে ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতন ইউনিয়ন পরিষদে গেলে দুলাল সরকার ১০-১৫ জনের একটি দল নিয়ে অতর্কিতে পরিষদে হামলা করেন। তারা চেয়ারম্যানকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করে। খবর পেয়ে চেয়ারম্যানের পক্ষের লোকজন পাল্টা হামলা চালায়। একপর্যায়ে দুই পক্ষে সংঘর্ষ বেধে যায়। আহত হন ইউপি চেয়ারম্যান শফিউল আলম রতনসহ কমপক্ষে চারজন।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে দুলাল সরকার বলেন, ‘আমরা কারো ওপর হামলা করিনি। মাদরাসা পরিচালনা কমিটির সভাপতি নিয়ে কথা বলতে গেলে উল্টো চেয়ারম্যানের লোকজনই আমাদের ওপর হামলা করে।’

শফিউল আলম রতন বলেন, ‘গোবিন্দপুর দাখিল মাদরাসা পরিচালনা পরিষদের সভাপতি হিসেবে আমাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কিন্তু ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক দুলাল সরকার জোর করেই ওই মাদরাসার সভাপতি হতে চায়। তাকে সভাপতি না করায় বেশ কিছুদিন ধরেই সে মাদরাসা সুপারকে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছিল। এরই জের ধরে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়।’

রাজশাহী নগরীর মতিহার থানার ওসি মেহেদী হাসান রন্টু বলেন, আওয়ামী লীগের দুই পক্ষে সংঘর্ষের খবর পেয়ে সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু এর আগেই পরিষদ এলাকা ফাঁকা হয়ে যায়। লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



মন্তব্য