kalerkantho


সংসদে প্রশ্নোত্তরে মন্ত্রী

নতুন ১০০০ প্রাথমিক বিদ্যালয় হচ্ছে

নিজস্ব প্রতিবেদক   

১৫ জানুয়ারি, ২০১৮ ০০:০০



যেসব গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই—এমন জায়গায় নতুন এক হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান। সেই সঙ্গে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে নতুন ৬৫ হাজার শ্রেণিকক্ষ করা হবে বলে তিনি জানান। গতকাল রবিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।

সংসদে ক্ষমতাসীন দলের সদস্য সামশুল হক চৌধুরীর প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, এর আগে বিদ্যালয়হীন গ্রামগুলোতে দেড় হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের যে প্রকল্প নেওয়া হয়েছিল, তা বাস্তবায়িত হয়েছে। আদালতে মামলার কারণে মাত্র চারটি স্কুল বাকি আছে।

মোস্তাফিজুর রহমান জানান, নতুন করে আরো এক হাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে দূর্গম চর ও হাওর অঞ্চলের অনেক গ্রামে প্রাথমিক বিদ্যালয় নেই। সেই কথা বিবেচনায় নিয়ে এই প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পটি অনুমোদন হলে কাজ শুরু হবে।

আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য মেজর (অব.) রফিকুল ইসলাম ও নবী নেওয়াজের প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী আরো বলেন, ‘সরকার নতুন করে ১২ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ৬৫ হাজার ক্লাসরুম তৈরির একটি প্রকল্প নিয়েছে। যে সকল বিদ্যালয়ে ক্লাসরুম অপর্যাপ্ত, ভবন জরাজীর্ণ ও ক্ষতিগ্রস্ত, সেই সকল বিদ্যালয়ে প্রয়োজন অনুসারে এই ক্লাসরুম নির্মাণ করা হবে।’

আওয়ামী লীগের সদস্য আব্দুর রহমান বদির প্রশ্নের জবাবে মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘বিদ্যালয়হীন গ্রামে প্রতিষ্ঠিত দেড় হাজার স্কুলে মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া সম্ভব হয়নি। মামলার কারণে নিয়োগ না দিতে পারায় অন্য স্কুল থেকে শিক্ষক নিয়ে স্কুলগুলো চালানো হচ্ছে। তবে শিগগিরই এসব স্কুলের জন্য ছয় হাজার শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া হবে।’ এরই মধ্যে শিক্ষক নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য ডা. রুস্তম আলী ফরাজীর প্রশ্নের জবাবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী বলেন, ‘২০১৮ সালের পর গাছতলায় বসে আর ক্লাস করতে হবে না। সারা দেশে ৬৫ হাজার ক্লাসরুম তৈরির প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে সকল ছাত্র-ছাত্রী ক্লাসে বসে লেখাপড়ার সুযোগ পাবে।’



মন্তব্য